হঠাৎ করেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজিসহ বেশকিছু পণ্য - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পোস্তগোলা ব্রিজের নিচে বালুর বস্তা রেখে ব্যবসার অভিযোগ, নীরব বিআইডব্লিউটিএ! ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক জনাব আলমগীর হোসেন কে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে বা... মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক বিচার শেষ হবে কবে ? মাদকের ৯৫ শতাংশ মামলা ঝুলে আছে কোন দলের প্রস্তুতি কেমন,ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপ শুরু ২১ জানুয়ারি ভারত থেকে আনা চালে ক্যানসারের বিষাক্ত উপাদান, বিতরণ স্থগিত বিরোধী দল সংলাপে এলে জুলাই সনদ নিয়ে নমনীয় হতে পারে সরকার জামায়াত জোটের ঢাকা-খুলনা কুষ্টিয়া লংমার্চ আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী ব্যর্থ, পদত্যাগ দাবি করলেন নাহিদ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

হঠাৎ করেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজিসহ বেশকিছু পণ্য


মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন:রাজধানীর খুচরা বাজারে হঠাৎ করেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজিসহ বেশকিছু পণ্য।সংকট না থাকলেও সব ধরনের মুরগি কেজিপ্রতি ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে। মাছের জোগান বাড়লেও দামে স্বস্তি নেই বাজারে।১২০ টাকার প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।৭ দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি কাঁচামরিচের দাম ৪০ টাকা বৃদ্ধির ঘটনাকে স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন না ক্রেতারা। সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও শীত মৌসুমের মধ্যেও সবজির দাম বাড়ছেই। কেজিপ্রতি ১০-১৫ টাকা বেড়েছে অনেক সবজির দাম।একাধিক সবজির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকার চেয়ে বেশি দামে।শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, নয়াবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

এ সময় দেখা যায়, খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগেও ১০ টাকা কম ছিল। এছাড়া প্রতি কেজি শালগম বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। গোল বেগুন প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও গত সপ্তাহে ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পেঁয়াজের ফুল প্রতি মুঠো বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়। প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, যা আগে ৫০ টাকা ছিল। শসা প্রতি কেজি ৮০-৮৫ টাকা এবং গাজর প্রতি কেজি ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হয়। প্রতি কেজি টমেটো ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, শিম ৪০-৮০ টাকা, আলু ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সঙ্গে প্রতি পিস ফুলকপি ৪০-৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০-৬০ টাকা, ছোট আকারের ব্রকলি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাওরান বাজারে সবজি কিনতে আসা মো. সালাউদ্দিন বলেন, শীতের মধ্যেই সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাজারে সবজির কোনো সংকট নেই। প্রতিটি দোকানে শীতের সবজিতে ভরপুর। বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকিয়ে বিক্রি করছেন। বিক্রেতা হাবিবুল্লাহ বলেন, সবজির সরবরাহ আছে তবে পাইকারি পর্যায়ে দাম বেশি। বেশি দামে এনে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়। তবে ছুটির দিন ক্রেতা বেশি থাকায় একসঙ্গে চাপ পড়ে। এতে সবজির দাম কিছুটা বেড়ে যায়।

এদিকে খুচরা বাজারে সবজির সঙ্গে সব ধরনের মুরগির দামও বেড়েছে। শুক্রবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগেও ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা ছিল। সোনালি ও অন্যান্য জাতের মুরগির দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হয়েছে ২৭০-২৮০ টাকা। শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ২৯০-৩০০ টাকায়। পাশাপাশি খুচরা বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজিপ্রতি ১১০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

নয়াবাজারের মুরগি বিক্রেতা মুনতাসির আহমেদ বলেন, বাজারে মুরগির কোনো সরবরাহ নেই। পাইকারি বাজারেও সরবরাহ পর্যাপ্ত। কিন্তু পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীতের কারণে খামার পর্যায়ে উৎপাদন ব্যয় কিছুটা বেড়েছে। তাই খামার পর্যায় থেকে দাম বাড়ায় পাইকারিতে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য আমরা খুচরা বিক্রেতারা বেশি দাম দিয়ে এনে বেশি দামেই বিক্রি করছি।

অন্যদিকে শীতে নদী ও খাল বিল থেকে মাছ ধরা বৃদ্ধি ও চাষের মাছও বাজারে রয়েছে। তাই সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে দাম কমছে না। চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি সরপুঁটি বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪৫০ টাকা, শিং ৪০০-৫০০ টাকা, কোরাল মাছ ৭০০-৯০০ টাকা, আইড় ৬০০-৭৫০ টাকা, টেংরা ৬০০-৭০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই ও কাতলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪৫০ টাকা। পাশাপাশি চাষের মাছের মধ্যে পাঙাশ ও সিলভার কার্প প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৮০ টাকা, বড় সাইজের তেলাপিয়ার কেজি ২৫০-৩০০ টাকা। সঙ্গে চিংড়ি প্রতি কেজি আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-১২০০ টাকা। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা এবং দুই কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ২৬০০-৩০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Top