নির্বাচনের পর পদ থেকে সরে যেতে চান রাষ্ট্রপতি - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ষড়যন্ত্রের রূপরেখা তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ নেতারা, ছক কষেছে পোশাক খাতে অস্থিরতা তৈরি করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ-সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ পোস্তগোলা ব্রিজের নিচে বালুর বস্তা রেখে ব্যবসার অভিযোগ, নীরব বিআইডব্লিউটিএ! ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক জনাব আলমগীর হোসেন কে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে বা... মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক বিচার শেষ হবে কবে ? মাদকের ৯৫ শতাংশ মামলা ঝুলে আছে কোন দলের প্রস্তুতি কেমন,ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপ শুরু ২১ জানুয়ারি ভারত থেকে আনা চালে ক্যানসারের বিষাক্ত উপাদান, বিতরণ স্থগিত বিরোধী দল সংলাপে এলে জুলাই সনদ নিয়ে নমনীয় হতে পারে সরকার জামায়াত জোটের ঢাকা-খুলনা কুষ্টিয়া লংমার্চ আজ

নির্বাচনের পর পদ থেকে সরে যেতে চান রাষ্ট্রপতি


মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন: ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পদ থেকে সরে যেতে চান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার এ পরিকল্পনার কথা তিনি জানিয়েছেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে তিনি (সাহাবুদ্দিন) অপমানবোধ করছেন। বঙ্গভবন থেকে হোয়াটসঅ্যাপে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, আমি বিদায় নিতে আগ্রহী। আমি এখান থেকে চলে যেতে চাই। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব রয়েছে বলেই আমি এ অবস্থানে আছি। তিনি বলেন, প্রায় ৭ মাস হলো প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাক্ষাৎ করেননি; তার প্রেস ডিপার্টমেন্ট কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দেশের দূতাবাস থেকে নিজের ছবি সরিয়ে ফেলার কথাও বলেন তিনি। সব কনস্যুলেট, দূতাবাস ও হাইকমিশনে রাষ্ট্রপতির ছবি ছিল। এগুলো হঠাৎ করে এক রাতের মধ্যে সরিয়ে ফেলা হয়। এতে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যায়। মানুষজন ভাবতে পারে, রাষ্ট্রপতিকে হয়তো সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি খুব অপমানিত বোধ করেছি। ছবি সরিয়ে ফেলার বিষয়ে মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছিলেন, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

রয়টার্স লিখেছে, রাষ্ট্রপতির এমন মন্তব্যের বিষয়ে তারা ইউনূসের প্রেস অফিসের কাছে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পায়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে চলে যাওয়ার পর সাহাবুদ্দিনের অবস্থান গুরুত্ব পায়। সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর সাহাবুদ্দিনই ছিলেন দেশের শেষ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল ৫ বছরের জন্য ৭৫ বছর বয়সি সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন।

Top