ভারতে ব্লাড ক্যান্সারের টিকা বলে মুসলিম মেয়েদের দেওয়া হচ্ছে বন্ধ্যাত্ব ইঞ্জেকশন! - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিদ্যুতে সরকারের প্রতি অসন্তুষ্ট ৮৯.৪%,গণভোট বাস্তবায়ন চান ৭০ শতাংশ, ‘সবার জন্য সমান’ নীতি বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ অস্বস্তি ,রাজনীতিতে নানা আলোচনা বরিশালে এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে কোনো গোপন শর্তে নয় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করে পরে ডিসি প... একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল এক হাজার টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২শ,গ্যাস সংকটে হিমশিম চালকরা

ভারতে ব্লাড ক্যান্সারের টিকা বলে মুসলিম মেয়েদের দেওয়া হচ্ছে বন্ধ্যাত্ব ইঞ্জেকশন!


প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা :সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এক দাবি,ভারতের বিভিন্ন স্কুলে মুসলিম মেয়েদের ‘ব্লাড ক্যান্সারের টিকা’ নামে ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে,যা আসলে তাদের বন্ধ্যা বানানোর ষড়যন্ত্র।বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ালেও, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি নিছকই গুজব।বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, ‘ব্লাড ক্যান্সারের ভ্যাকসিন’ দিয়ে ভারতের মুসলিম মেয়েদের টার্গেট করা হচ্ছে। কথিত আছে, এই ইনজেকশন ভবিষ্যতে সন্তান জন্মদানে অক্ষম করে দেবে।

জানা গেছে, ভারতে বর্তমানে HPV (Human Papillomavirus) ভ্যাকসিন স্কুল পর্যায়ে মেয়েদের দেওয়া হচ্ছে। এটি আসলে গর্ভাশয়ের গলার ক্যান্সার (Cervical Cancer) প্রতিরোধে কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেছেন।এটি কোনোভাবেই রক্ত ক্যান্সার প্রতিরোধক নয়। টিকা বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি করে না।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) HPV ভ্যাকসিনকে নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে ধর্মীয় বিভাজন ও ভীতি সৃষ্টির জন্য এই ধরনের ভুয়া প্রচার চালানো হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ টিকা নেওয়া থেকে বিরত হতে পারে, যা ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হবে।ভারতের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. অনুরাধা শর্মা বলেন, HPV ভ্যাকসিন মেয়েদের কিশোর বয়সে দেওয়া হয় যাতে ভবিষ্যতে তারা ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে পারে। এটি বন্ধ্যাত্ব ঘটায়-এমন কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

Top