ইসলাম প্রত্যেক মানুষকে দায়িত্ববান ও কর্তব্যপরায়ণ হিসেবে ঘোষণা - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিদ্যুতে সরকারের প্রতি অসন্তুষ্ট ৮৯.৪%,গণভোট বাস্তবায়ন চান ৭০ শতাংশ, ‘সবার জন্য সমান’ নীতি বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ অস্বস্তি ,রাজনীতিতে নানা আলোচনা বরিশালে এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে কোনো গোপন শর্তে নয় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করে পরে ডিসি প... একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল এক হাজার টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২শ,গ্যাস সংকটে হিমশিম চালকরা

ইসলাম প্রত্যেক মানুষকে দায়িত্ববান ও কর্তব্যপরায়ণ হিসেবে ঘোষণা


আলোকিত বার্তা:ইসলাম প্রত্যেক মানুষকে দায়িত্ববান ও কর্তব্যপরায়ণ হিসেবে ঘোষণা করেছে।ব্যক্তি যা করবে,তার ফলভোগও তাকেই করতে হবে এ নীতিতে ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট।প্রত্যেকের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনকে আবশ্যক করা হয়েছে এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলাকে পরকালে জবাবদিহিতার বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।এ প্রসঙ্গে হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,সাবধান! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল,এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। অতএব, একজন ইমাম বা নেতা তার অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবেন।যে ব্যক্তি পরিবারের অভিভাবক, সে তার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। একজন নারী, যিনি স্বামীর ঘর সামলান, তিনিও তার দায়িত্বের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবেন। একজন দাস তার মনিবের সম্পদের বিষয়ে দায়ী এবং তাকেও সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে। সুতরাং সচেতন হও, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।সহিহ বোখারি

ইসলাম এমন এক ব্যতিক্রম শিক্ষা দিয়েছে,যেখানে বলা হয়েছে “কেউ কারও বোঝা বহন করবে না। এই নীতির ভিত্তি কুরআনের বহু আয়াতে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।আল্লাহতায়ালা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন,যারা সৎপথ অবলম্বন করবে,তারা নিজেদের কল্যাণের জন্যই তা করবে। আর যারা ভ্রান্ত পথ অবলম্বন করবে,তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কেউ কারও বোঝা বহন করবে না। আর আমি কোনো জাতিকে সতর্ককারী রাসূল না পাঠিয়ে শাস্তি দেই না।সূরা বনি ইসরাইল: ১৫

ইসলামের এ নীতিমালা মানুষের মধ্যে আত্ম দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। এটি মানুষকে শেখায়, নিজের আমলই একমাত্র পাথেয়। কেউ অন্য কারও পাপ বা পুণ্য বহন করবে না। কেউ অন্য কারও কবরের সঙ্গী হবে না। তাই প্রতিটি মানুষকে তার নিজ কর্মের জবাবদিহি একদিন আল্লাহর দরবারে করতেই হবে।এ দৃষ্টিভঙ্গি মানুষকে আত্ম-উন্নয়নে উদ্বুদ্ধ করে, ব্যক্তি সত্তাকে শুদ্ধ করে এবং একজন পূর্ণাঙ্গ, দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হয়।

Top