এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৩১ মে প্রকাশিত হবে। - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা লুট-অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলেই ২ লাখ টাকা পুরস্কার সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে পুলিশের শীর্ষ ১০০ কর্মকর্তার মধ্যে একজন নারী মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী যাবে ‘জিরো কস্টে’ একই দিনে দুই প্রধান শক্তির শোডাউন,রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়সূচি প্রকাশ,ভর্তি পরীক্ষা জেনারেটরে পুড়ছে লাভের টাকা, হতাশ ব্যবসায়ীরা,লোডশেডিংয়ে কুয়াকাটার পর্যটনে ধস হ্যাকারের দখলে সরকারি সাইট,নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ডিজিটাল সিস্টেম কৌশলে বাজারে সয়াবিন চিনির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে কোম্পানি গুলো

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৩১ মে প্রকাশিত হবে।


আলোকিত বার্তা:মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৩১ মে প্রকাশিত হবে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে জানানো হয়েছে, আগামী ৩১ মে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করবেন। এরপর মোবাইল মেসেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে এ ফলাফল তুলে ধরা হবে।বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক পত্রের মাধ্যমে ফল প্রকাশের এই তারিখ ও সময় নিশ্চিত করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।এ বছর এসএসসির ফল অনলাইনে প্রকাশিত হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ফল পাঠানো হবে না। কাজেই কোনো অবস্থাতেই ফল প্রকাশের দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জমায়েত হওয়া যাবে না।

শিক্ষাবোর্ডগুলো এবার আরও সহজে ফল জানার ব্যবস্থা করেছে। এ জন্য গত সোমবার থেকে প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। এই প্রাক-নিবন্ধন করলে প্রথমদিকে ফল পাওয়া যাবে। তবে আগের মতো নির্ধারিত পদ্ধতিতেও মোবাইল ফোনে খুদে বার্তায় ফল জানা যাবে।নতুন ব্যবস্থায় প্রাক-নিবন্ধন করা থাকলে পরীক্ষার্থীর মোবাইলে ফলাফল জানিয়ে দেয়া হবে। SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে 2020 লিখে 16222 নম্বরে পাঠিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রাক-নিবন্ধন করতে পারবে।উল্লেখ্য, এবার এসএসসি-সমমান পরীক্ষা ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সরস্বতী পূজা ও ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। আর ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ মার্চ শেষ হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৫১২টি কেন্দ্রে মোট ২০ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৪ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

Top