শীতের সময় পরিবেশে ধুলাবালি বেশি থাকে এবং আবহাওয়া শুষ্ক হওয়ায় চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়। - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
উজিরপুর উপজেলায় এনসিপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা হিজলায় জামায়াতের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়ন সদস্যদের মধ্যে আইডি কার্ড বিতরণ পরিত্যক্ত সাবমেরিন ক্যাবল উত্তোলন ঘিরে চাঞ্চল্য, ‘প্রতিরোধ আন্দোলনের’ সংবাদ সম্মেলন পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন7 বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান প্রথম পুত্রসন্তান ও দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হলেন সাংবাদিক আম্মার হোসেন আম্মান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক মামলার বিচারে ২২ ট্রাইব্যুনাল

শীতের সময় পরিবেশে ধুলাবালি বেশি থাকে এবং আবহাওয়া শুষ্ক হওয়ায় চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়।


আলোকিত বার্তা:শীতের সময় পরিবেশে ধুলাবালি বেশি থাকে এবং আবহাওয়া শুষ্ক হওয়ায় চোখের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়। ফলে চোখের অ্যালার্জি, চুলকানি, শুষ্ক চোখ, খচখচ করার মতো সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। শীতকালে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।চশমা ব্যবহার করুন: বাইরে বের হলে চশমা বা রোদচশমা ব্যবহার করুন। সরাসরি সূর্যের আলো যাতে না পড়ে, সে জন্য পুরো চোখ ঢেকে থাকে—এমন ফ্রেমের চশমা ব্যবহার করুনশরীর আর্দ্র রাখুন: শরীর আর্দ্র রাখতে প্রচুর তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে। এমনিতেই শীতে পানি পান কমে যায়। তাই পানি ছাড়াও ফলের রস, গরম স্যুপ ইত্যাদি খেতে পারেন, যা শরীর উষ্ণ ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করবে। এতে চোখের শুষ্কভাবও কমে যাবে।

ওমেগা-৩ যুক্ত খাবার খান: ওমেগা-৩ যুক্ত মাছ বেশি খেতে হবে। এতে চোখে অশ্রু বেশি তৈরি হবে।শাকসবজি খান: শাকসবজিতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, ক্যারোটিন ইত্যাদি আছে, যা চোখ ভালো রাখে। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন–এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখের পুষ্টি উপাদানের ‘পাওয়ার হাউস’ বলা যেতে পারে মিষ্টিকুমড়াকে।
চোখের ব্যায়াম
চোখের উপযোগী ব্যায়াম নিয়মিত করা উচিত। এতে চোখের অতিরিক্ত ক্লান্তি দূর হওয়ার পাশাপাশি আর্দ্রতা ধরে রাখা সহজ হবে।ব্যায়াম ১: মাথা সোজা রেখে চোখ হাতের ডান থেকে বাঁয়ে ও বাঁ থেকে ডানে ১০ বার ঘোরাতে হবে। প্রতিদিন সম্ভব না হলে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন করা যেতে পারে।
ব্যায়াম ২: কাজের ফাঁকে কিছু সময় চোখ বন্ধ রাখুন। হাতে হাত ঘষে হাতের তালু কিছুটা গরম করে বন্ধ চোখের ওপর রাখুন। হাতের তালু এমনভাবে রাখুন, যাতে ভেতরে কোনো আলো না যেতে পারে। দুই মিনিট এভাবে থাকুন। দিনে বেশ কয়েকবার এমন করলে চোখের বিশ্রাম হবে।
ব্যায়াম ৩: যারা কম্পিউটার ও মুঠোফোন বেশি ব্যবহার করেন, তাঁদের চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। কাজেই একটানা তাকিয়ে না থেকে কম্পিউটার ও মুঠোফোন ব্যবহারের সময় ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন। নিয়মিত পানির ঝাপটা দিয়ে চোখ পরিষ্কার করুন।
ব্যায়াম ৪: রাতে ঘুমানোর সময় বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে চোখের পাতা আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। ভ্রুর নিচের দিকে ও চোখের নিচের দিক এভাবে দুই মিনিট ম্যাসাজ করুন। এতে ঘুমও ভালো হবে, চোখের অতিরিক্ত ক্লান্তিও দূর হবে।

Top