বন্ধন সমিতির নামে দেড়-দুই কোটি টাকা নিয়ে উধাও। - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
নিয়োগ-পদোন্নতিতে সব সিটির ক্ষমতা কমল মিথ্যা তথ্যে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত, তীব্র ক্ষোভ ও হুঁশিয়ারি এনসিপির ঋণের টাকায় বড় প্রকল্প ব্যাংক খাত সংস্কারে শিল্পে আজ থেকে গ্যাস বিদ্যুৎ আগের অবস্থায় সবার আগে বিদ্যুৎ-জ্বালানি,সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থমকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক,পথের কাঁটা হাসিনা দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর প্রাণের দাবি কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্... তফসিল ঘোষণার আগে আইন সংশোধন নিয়ে অনিশ্চয়তা এনসিপি থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন এম. আনোয়ার হোসেন সিকদার চরামদ্দি মূগাখাঁন মসজিদ প্রাঙ্গণে গীতা পাঠ, ক্ষমা চাইল বিএনপি

বন্ধন সমিতির নামে দেড়-দুই কোটি টাকা নিয়ে উধাও।


মো.রফিকুল ইসলাম:বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলায় বন্ধন সমিতির নামে দেড়-দুই কোটি টাকা নিয়ে মসজিদের সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান উধাও।এতে সহস্রাধিক জনগন অসহায় হয়ে পরেছে। এ নিয়ে ওই এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।অভিযােগ সূত্রে জানা গেছে,বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কামারখালি বাজার এবংচরামদ্দি বাজার এলাকায় বন্ধন সমিতির দুইটি শাখা ছিলাে।এই সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহীপরিচালক রফিকুল ইসলাম খান সহস্রাধিক জনগনের দেড়-দুই কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে।গরিবদুঃখি মেহনতি মানুষের কষ্টে সঞ্চিত অর্থ জমা ছিল বন্ধন সমিতিতে।রফিকুল ইসলাম খানঅনেকের কাছ থেকে বেশি লাভের প্রলভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতাে।সে একলক্ষ টাকায়।প্রতি মাসে ১৫শ টাকা লাভ দিতাে,তখন গ্রাহক বেশি লাভের আশায় ব্যাংক থেকে টাকাতুলে বন্ধন সমিতিতে জমা করেছিলাে। হঠাৎ করে বন্ধন সমিতির অফিসে তালা ঝুলছে এবং রফিকুল ইসলামের ফোন বন্ধ। এতে গ্রাহকদের মনে সন্দিহান দেখা দিয়েছে যে ভবিষ্যতে তারা টাকা পাবে কিনা।

সূত্র জানায় রফিকুল ইসলাম খান অতীতে আশা সমিতিতে মাঠকর্মী হিসেবে চাকুরী করত। পরে তিনি চাকুরী ছেড়ে এসে বন্ধন সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন রফিকুল। ইসলাম মীরমদন হামিদীয়া জামে মসজিদের সভাপতি,স্থানীয় জনগনের প্রশ্ন একজন সুদী ব্যবসায়ী,প্রতারক ও দুর্নীতিবাজ কি করে মসজিদ কমিটির সভাপতি হয়? সে চরামদ্দি ও দাড়িয়াল ইউনিয়নের অসংখ্য পরিবারকে নিঃস্ব করে দিয়েছে।

এই ব্যাপারে মীরমদন হামিদীয়া জামে মসজিদের সেক্রেটারী মােঃ নুরু সিকদারের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।এই ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এমএ জব্বার বাবুল সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,আমরা গ্রাহকদের টাকা উদ্ধারে কাজ করে করে যাচ্ছি।

এ ব্যাপারে বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আবুল কালাম আজাদ বলেন,অভিযােগ পেলে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।এ ব্যাপারে গ্রাহকগন দ্রুত প্রশাসনের সহযােগিতা কামনা করছে যেনাে রফিকুল ইসলাম খান কে গ্রেফতারকেআইনের আওতায় এনে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়া হয়।

Top