‘জয়ী দল সবকিছু পাবে’এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জয়ী দল সবকিছু পাবে’এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে


মোহাম্মাদ মহাব্বাতুল্লাহ মাহাদ:টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন‘জয়ী দল সবকিছু পাবে’এমন একপাক্ষিক ও কর্তৃত্ববাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত ‘গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ আহবান জানান।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় বক্তারা একমত হন যে টেকসই গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সুরক্ষার জন্য একটি শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক সুশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।সভায় ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জবাবদিহিমূলক সুশাসনের লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দল ও আমলাতন্ত্রের ভেতর আত্মশুদ্ধি প্রয়োজন। আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া যেন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থের কাছে জিম্মি না থাকে, তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, একটি ভালো নির্বাচন হয়েছে এবং সরকারের প্রতি সমর্থন রয়েছে, তবে মুক্তচিন্তা প্রকাশ ও মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে সব জায়গায় ইতিবাচক চর্চার প্রতিফলন নিশ্চিত করা জরুরি।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধান অতিথি মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের ক্ষমতার একমাত্র উৎস হলো দেশের জনগণ এবং রাষ্ট্র ও ক্ষমতার প্রকৃত মালিকও তারা। তিনি দাবি করেন, সরকার বিগত মাসগুলোতে দেশে অভূতপূর্ব বাক্‌স্বাধীনতা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। রাষ্ট্রীয় মদদে গুম ও খুন বন্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।এছাড়াও সভায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তাদের দলীয় পরিচয়ের চেয়ে যোগ্যতাকে একক বিবেচনার বিষয় করা উচিত। দেশের ও মানুষের সার্বিক কল্যাণে কেবল কাগজে-কলমে সাংবিধানিক পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বরং মানুষের চিন্তা ও প্রতিদিনের মানসিকতার পরিবর্তন এবং গণতান্ত্রিক চর্চাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Top