আন্দোলনের বিকল্প নেই নেত্রীর মুক্তির জন্য - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশ থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা সাহাবুদ্দিন মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের প্রতি তিনি সমর্... রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন উজিরপুরের জমি দখলকারী তিনজন কারাগারে এনআইডি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইসির, পাবেন ছোটরাও সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়া... ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল

আন্দোলনের বিকল্প নেই নেত্রীর মুক্তির জন্য


আলোকিত বার্তা:বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,আমাদের সুসংগঠিত হয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আসুন এই দিনে তার দীর্ঘায়ু কামনা করে তার মুক্তির জন্য নিজেদের সংগঠিত করি ও আন্দোলন বেগবান করি। তার জন্মদিনে এটিই হোক আমাদের শপথ।শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।১৫ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপারসনের ৭৫তম জন্মদিনের একদিন পর এ উপলক্ষে এবং তার রোগমুক্তি ও দীর্ঘায়ু কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। সারা দেশেও খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আজ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।নেত্রীর মুক্তির জন্য আন্দোলন করতে না পারায় আক্ষেপ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা এমন কিছু করতে পারছি না যে, নেত্রীকে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে মুক্ত করতে পারব।তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার বিষয়ে আইন আদালতের ভূমিকা কী, সেটি আর আমাদের বুঝতে বাকি নেই।

গণতান্ত্রিক সব প্রতিষ্ঠানকে সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা হয়েছে বিচার বিভাগের। আজকে বিচার বিভাগের কোনো স্বাধীনতা নেই। এই অনির্বাচিত-জনবিচ্ছিন্ন সরকার বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে এ দেশের রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন চালাচ্ছে। একইভাবে দেশনেত্রীকেও কারাগারে রেখেছে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন, মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা।দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা দলের নেতা মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

Top