মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
৭ দিনের মধ্যে ধ্বংস করতে নির্দেশ নকল ডায়াবেটিস স্ট্রিপ নাজমুল হাসানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ ২৯৮ তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের লড়াইয়ের গল্প গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরাই.......অঙ্গীকার হওয়া উচিত পায়রা বন্দরের সঙ্গে সড়ক ও রেলের কানেকটিভিটি বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ মেট্রোরেলের ভাড়ার ওপর ভ্যাট নেওয়ার সিদ্ধান্ত অগ্রহণযোগ্য চাকরির পেছনে ছুটে না বেড়িয়ে চাকরি দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করুন বরিশাল বিমানবন্দর এরিয়া ভাঙ্গন রোধে কাজ করছে সরকার বিআরটিসির অগ্রযাত্রায় সাহসিক পদক্ষেপ,সাফল্যের মহাসড়কে অদম্য যাত্রা

মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা


মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী রোকেয়া খানম মাধ্যমিকবিদ্যালয়ের সভাপতিও একাধিকবার নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানখান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকীকে বিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদ থেকে সংবর্ধনাদেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেসভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম সরোয়ার বাদল।এসময়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সদস্য মোঃআনোয়ার হোসেন তালুকদার,এ.কে আজাদ বাপ্পি, বিদ্যালয়ের সহকারিপ্রধান শিক্ষক মোঃ নিজাম সরদার, সহকারি শিক্ষক মোঃ আবদুল লতিফ ওউপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন জোমাদ্দার প্রমূখ।অনুষ্ঠানের শুরুতে নর্ব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে ফুল দিয়েবরন করেন বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দরা। পরে শিক্ষকবৃন্দ তাকে একটি ক্রেস্টউপহার দেয়া হয়।

নর্ব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষাইজাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতী উন্নতি করতে পারে না। এবিদ্যালয়টি উপজেলার মধ্যে একটি পুরাতন বিদ্যালয়। এখান থেকে বহু ছাত্রীপাশ করে সরকারে বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি করছেন। এর পাশাপাশি এ বিদ্যালয়েরপাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় করে দেয়া হয়েছে। যাতে এএলাকার শিশু থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যন্ত কোন শিশু কিংবা ছাত্রীরা অণ্যকোন বিদ্যালয়ে গিয়ে পড়াশুনা করতে না হয়। আমি গত পাঁচ বছরে উপজেলাচেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে শিক্ষা খাতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।ভবিষ্যাতেও এ ধার অব্যাহত থাকবে। কারন এ উপজেলার কোন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনারজন্য কষ্ট করতে না হয়। এ বিদ্যালয়ে যারা শিক্ষক রয়েছেন এবং আমাকে যেসম্মান দিয়েছেন তা আমি অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করবো।

Top
%d bloggers like this: