মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি প্রতিমন্ত্রীর ‘পাল্টা প্রশ্ন’ তথ্য জানার অধিকারের প্রতি হুমকি মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শিল্পে গ্যাস সংকট কাটছেই না,তেল কিনতে ৬৫০০ কোটি টাকা চায় পিডিবি নির্বাচনের পরিকল্পনা নভেম্বর ধরে আগানো হচ্ছে জ্যেষ্ঠতার তালিকায় ২৫৭ ‘অনিয়মিত’ প্রকৌশলী ! এলজিইডিতে বিধিবিধান অমান্যের প্রতিযোগিতা ডিলারদের ঘরে কর্মকর্তাদের কীসের এত খাওয়াদাওয়া,সার সংকটে হয়রান কৃষক অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ সরকারের বর্তমান কাঠামো আড়াইতলা বা আড়াই স্তরবিশিষ্ট

মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা


মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী রোকেয়া খানম মাধ্যমিকবিদ্যালয়ের সভাপতিও একাধিকবার নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানখান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকীকে বিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদ থেকে সংবর্ধনাদেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেসভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম সরোয়ার বাদল।এসময়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সদস্য মোঃআনোয়ার হোসেন তালুকদার,এ.কে আজাদ বাপ্পি, বিদ্যালয়ের সহকারিপ্রধান শিক্ষক মোঃ নিজাম সরদার, সহকারি শিক্ষক মোঃ আবদুল লতিফ ওউপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন জোমাদ্দার প্রমূখ।অনুষ্ঠানের শুরুতে নর্ব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে ফুল দিয়েবরন করেন বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দরা। পরে শিক্ষকবৃন্দ তাকে একটি ক্রেস্টউপহার দেয়া হয়।

নর্ব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষাইজাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতী উন্নতি করতে পারে না। এবিদ্যালয়টি উপজেলার মধ্যে একটি পুরাতন বিদ্যালয়। এখান থেকে বহু ছাত্রীপাশ করে সরকারে বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি করছেন। এর পাশাপাশি এ বিদ্যালয়েরপাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় করে দেয়া হয়েছে। যাতে এএলাকার শিশু থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যন্ত কোন শিশু কিংবা ছাত্রীরা অণ্যকোন বিদ্যালয়ে গিয়ে পড়াশুনা করতে না হয়। আমি গত পাঁচ বছরে উপজেলাচেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে শিক্ষা খাতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।ভবিষ্যাতেও এ ধার অব্যাহত থাকবে। কারন এ উপজেলার কোন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনারজন্য কষ্ট করতে না হয়। এ বিদ্যালয়ে যারা শিক্ষক রয়েছেন এবং আমাকে যেসম্মান দিয়েছেন তা আমি অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করবো।

Top