আপোস করে টিকে আছে সরকার চক্রান্তকারীদের সঙ্গে - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২৭শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ

আপোস করে টিকে আছে সরকার চক্রান্তকারীদের সঙ্গে


আলোকিত বার্তা:বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকার চক্রান্তকারীদের সঙ্গে আপোস করে ক্ষমতায় টিকে আছে। আজকে আওয়ামী লীগ জনগণ থেকে সম্পূর্ণ দূরে। জনগণের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে গেছে। শুধুমাত্র বন্দুকের নল দিয়ে জোর করে টিকে আছে। তারা আজকে রাষ্ট্রযন্ত্রকে সম্পূর্ণ করায়ত্ব করে টিকে আছে। জোর করে ক্ষমতায় বেশিদিন টিকে থাকা যায় না। বিশ্বের ইতিহাস তাই বলে।

তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে অনেক সময় দেখি একটা হতাশা,কিন্তু কেন,কী হয়েছে? এই নির্বাচনের ফলাফল তারা নিয়ে গেছে, এজন্য কি আমরা পরাজিত হয়ে গেছি? মোটেই না, আমরা জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করছি। জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন গড়ে তুলব।শনিবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবনে কল্যাণ পার্টির চতুর্থ জাতীয় কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন,বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান,যুগ্ম-মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমতুল্লাহ, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ প্রায়ই বলে,বিএনপি চক্রান্ত করে ক্ষমতায় আসে। বিএনপি কোনো দিন চক্রান্ত করে ক্ষমতায় আসেনি। বিএনপি প্রতিবার জনগণের সুষ্ঠু ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। কখনও পেছনের দরজা বা অসুস্থভাবে ক্ষমতায় আসেনি।বিএনপির কারও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়নি’ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এদেশের মানুষ সবাই জানে বিএনপি নেতাদের ও খালেদা জিয়াকে যে মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। সেগুলো মিথ্যা মামলা না কি সত্য মামলা।

বিএনপি মাহাসচিব বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা যখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপ করেছিলাম তখন তিনি বলেছিলেন, আপনারা গায়েবি মামলাগুলোর তালিকা দেন।এসব মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হবে না। কিন্তু দেখা গেল ওইসব মামলা দিয়ে নির্বাচন জয় করে নিয়েছে।মির্জা ফখরুল বলেন,খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। তিনি এখন চলতে পারেন না, কিছু খেতে পারেন না। আমরা বারবার দাবি জানিয়েছি, তাকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। কিন্তু সরকার তাকে পিজি (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নিয়ে গেছে। আমরা মনে করি না সেখানে তার সঠিক চিকিৎসা হবে।

Top
%d bloggers like this: