নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হয়েও ১২ বছর পর প্রাথমিকের শিক্ষক হলেন - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
সন্ত্রাসীদের হামলা, গুরুতর আহত শাহাবুদ্দিন খান,নিরাপত্তা হীনতায় নিজ এলাকা ছাড়া অসহায় পরিবারটি বাবুগঞ্জে জামায়াত কর্মীদের উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এনআরবিসি ব্যাংকে চলছে লুটপাট, মূল নায়ক চেয়ারম্যান এমডি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করলে ছাড় নয় মোহাম্মদ আবুল কাশেমের শত কোটি টাকার দুর্নীতি! বিএনপির মুখোশ পরে দুদকের নজর এড়ানোর ফন্দি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ২২ হাজার প্রবাসীর এনআইডি আবেদন বাতিল কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? হজের নিবন্ধনের সময় আরও এগিয়ে আনলো সৌদি আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে

নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হয়েও ১২ বছর পর প্রাথমিকের শিক্ষক হলেন


আলোকিত বার্তা:নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হয়েও দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে ১২ বছর পর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিউটি বেগম।সোমবার আপিল বিভাগে হাজির হয়ে আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের (বিউটি বেগমের নিয়োগের তথ্য) কথা লিখিতভাবে জানান তৎকালীন মহাপরিচালকসহ পাঁচ কর্মকর্তা। এরপর বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ আদালত অবমাননার আবেদন নিষ্পত্তি করেন।আদালতে বিউটি বেগমের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শফিক মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর আদালতের আদেশ প্রতিপালন না করায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামালসহ পাঁচজনকে তলব করেছিলেন আপিল বিভাগ। এ আদেশ অনুসারে তারা হাজির হন।

সাবেক ডিজি ছাড়া অন্য চারজন হলেন- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর মো. রমজান আলী, গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম, গাইবান্ধা সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুস সালাম ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মাসুমুল ইসলাম। এ পাঁচজন ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন যুগান্তরকে জানান, ২০০৮ সালে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বিউটি বেগম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হন। কিন্তু তাকে নিয়োগ না দিয়ে পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী নাজমা সুলতানাকে নিয়োগ দেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। বিউটি বেগম নিয়োগ না পেয়ে গাইবান্ধার সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। মামলার শুনানি নিয়ে আদালত পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী বিউটি বেগমকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে জেলা জজ ও হাইকোর্টেও আদেশ বহাল থাকে।এর বিরুদ্ধে আপিলের পরও আপিল বিভাগ ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট ১৫ দিনের মধ্যে বিউটি বেগমকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দেন। ওই আদেশের পরেও বিউটি বেগম নিয়োগ পায়নি। তাই তিনি আদালত অবমাননার আবেদন করেন। আদালত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ২ মার্চ আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। রুলেরও জবাব দেয়নি বিবাদীরা।এ কারণে আপিল বিভাগ বিবাদীদের তলব করেছিলেন বলে জানান এবিএম আলতাফ হোসেন। সোমবার হাজির হয়ে বিউটি বেগমের নিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তারা।

Top