জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ভার্চুয়াল মোহের ফাঁদে ঘরছাড়া কিশোর-কিশোরী শেয়ারবাজারের সংকট কি কাটবে?নতুন কোম্পানি আসার দুয়ার খুলছে কোথাও কর্মী ছাঁটাই প্রভাব কর্মসংস্থানে,বন্ধ হয়েছে অন্তত ৫০টির বেশি কারখানা সংসদ নির্বাচনে ভোট রক্ষায় দুর্বলতা ছিল, সিটি করপোরেশনে ভুল হবে না প্রতিশ্রুতিতেই সীমাবদ্ধ জলবায়ু তহবিল,ঋণ নয় অনুদান চায় বাংলাদেশ ঝুঁকি ৬৩৮ কোটি ডলারের,এলডিসি উত্তরণের প্রভাব রপ্তানিতে ফ্লাইওভারে নতুন কৌশল ‘সুতা-ডাকাতি’রাতে রাজধানীতে ছিনতাইকারীর ফাঁদ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন রোজার আগেই কারসাজি,তেল পেঁয়াজ ডাল চিনি ছোলা খেজুরের দাম বাড়ছে দেশের কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন


নুর নবী জনী: চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের হাত ধরে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করেছে। প্রতিষ্ঠার প্রায় পৌনে দুই বছরের মাথায় শুক্রবার ১৯৫ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। পুনর্গঠিত কমিটিতেও নাহিদ ইসলাম আহ্বায়ক ও আখতার হোসেন সদস্য সচিব রয়েছেন। কমিটিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহকে পদোন্নতি দিয়ে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। আর সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে পদোন্নতি দিয়ে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সাংগঠনিক গতি বাড়াতেই এই পুনর্গঠন।

দলীয় সূত্র জানায়, মূলত তিনটি প্রধান লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনসিপির এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এগুলো হলো-সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতিশীলতা, তৃণমূলের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো এবং আগামী বছরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনি ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা।

পুনর্গঠিত কমিটিতে আগের কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদা সারোয়ার নিভা যুগ্ম সদস্য সচিব হয়েছেন। এই পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে এনসিপির সাংগঠনিক কাঠামো থেকে সাতটি পদ কার্যত বিলুপ্ত হলো। এগুলো হলো-মুখ্য সমন্বয়ক, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, মুখপাত্র, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক, সংগঠক ও যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক। তবে পুনর্গঠিত কমিটিতেও আগের মতো দুজন করে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব থাকছেন। আগের কমিটিতে মুখ্য সমন্বয়ক পদে নাসীরুদ্দীন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক পদে সারজিস, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক পদে হাসনাত, মুখপাত্র পদে আসিফ ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক পদে হান্নান দায়িত্ব পালন করেছেন। আর উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক পদে ৪২ জন এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক পদে ২৩ জন দায়িত্ব পালন করেন।

কমিটিতে ২৪ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক ও ৬ জনকে যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে। আগের কমিটিতে কোনো সম্পাদকীয় পদ ছিল না, তবে পুনর্গঠিত কমিটিতে ৩২টি সম্পাদকীয় পদে ৩২ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে এক-দুজন করে সহসম্পাদক আছেন। এর বাইরেও কমিটিতে ১৯ জন সহসম্পাদক রয়েছেন। ৫৮ জনকে কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে। ১১ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ২১৭ সদস্যের কমিটি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল এনসিপি। কমিটি পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে মূলত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে দলে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় স্থান দিল এনসিপি।

এনসিপির পূর্ববর্তী কমিটিতে মুখ্য সমন্বয়ক, মুখপাত্র, উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠকের মতো বেশ কিছু বিশেষায়িত পদ ছিল। দলীয় নেতাদের মতে, এই কাঠামোর কারণে দলের ভেতর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমন্বয়ে এক ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। পূর্বের কাঠামোটি দলের ভেতর পৃথক গণ্ডি বা ‘কম্পার্টমেন্ট’ তৈরি করেছিল। এই সাংগঠনিক জটিলতা দূর করতেই এবার পুরোনো শীর্ষ ৪টি পদ (মুখ্য সমন্বয়ক, মুখপাত্র ও আঞ্চলিক মুখ্য সংগঠক) বিলুপ্ত করা হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী দলটিকে সরাসরি দুটি লাইনে বিন্যস্ত করা হয়েছে-একটি অংশ কাজ করবে আহ্বায়কের অধীনে এবং অন্যটি সদস্য সচিবের অধীনে, যা চেইন অব কমান্ডকে আরও সহজ ও সোজা করবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, এনসিপির রাজনৈতিক কার্যক্রমের গতি মন্থর। দলটিকে রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে ও প্রভাব বিস্তার করতে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে আরও শক্তিশালী হতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে দলটি আহ্বায়ক কমিটির মধ্য দিয়ে চলছে। এবারও পূর্ণাঙ্গ কমিটি না করে, শুধু কয়েকটি পরিচিত মুখকে রদবদল করে আবারও আহ্বায়ক কমিটিই গঠন করা হলো। এতে নিশ্চয় দলের ভেতর বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে, হবেও। এনসিপিকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে মাঠপর্যায়ে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে হবে।

তিনি বলেন, একটি দল গুটিকয়েক শীর্ষ নেতা দিয়ে চলতে পারে না। সার্বিকভাবে দলকে শক্তিশালী হতে হয়, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ের সবকটি কমিটির মধ্য দিয়ে।

অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী আরও বলেন, দলের মধ্যে স্পষ্ট বিভক্তি রয়েছে এবং যোগ্য নারীদের উপযুক্ত স্থান দেওয়া হচ্ছে না। দলটিকে আরও শক্তিশালী করতে হলে এই অভ্যন্তরীণ বিভেদ দূর করে অবিলম্বে নারীদের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন যুগান্তরকে বলেন, নিশ্চয় যথাযথ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই পূর্বের আহ্বায়ক কমিটিকে পুর্নগঠন করা হয়েছে। এখন দলটি আরও শক্তি নিয়ে এগোবে। যারা দলের জন্য কাজ করবে এবং করবে না তা মূল্যায়ন করে, প্রয়োজনে আবারও কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। কমিটিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে ৬ জন নারী নেত্রীকে রাখা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে থেকেও নারীদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, মূলত তিনটি প্রধান লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনসিপির এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতিশীলতা আনা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি চেইন অব কমান্ড তৈরি করা এবং আগামী বছরের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে সাংগঠনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করতে কেন্দ্র থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের সব নেতাকর্মী নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে। আমাদের আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিবকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করবেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, যুগ্ম সদস্য সচিবসহ সবাই। দলটির একজন শীর্ষ নেতা জানান, জটিলতা দূর করার অংশ হিসাবে পুরোনো পদের নেতাদের মূল ধারার পদবিতে আনা হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এনসিপির সামনে এখন বড় দুটি সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে দলটির প্রথম ‘জাতীয় কাউন্সিল’ বা কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দ্বিতীয়ত, আগামী বছরের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এ নির্বাচনে দলের প্রার্থীদের বিজয়ী করার মধ্য দিয়েও পুনর্গঠিত কমিটির তৎপরতা বোঝা যাবে।

পূর্ণাঙ্গ কমিটি : নাহিদ ইসলাম-আহ্বায়ক, আখতার হোসেন-সদস্য সচিব। সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আব্দুল্লাহ। সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব-মো. সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। যুগ্ম আহ্বায়ক-অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, ব্যারিস্টার সানি আব্দুল হক, মাহবুব আলম, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, মাওলানা আশরাফ মাহাদী, সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, দিলশানা পারুল, প্রীতম দাশ, সামান্তা শারমিন, ইসহাক সরকার, তারেক এ আদেল, একে ফ্লোরা।

যুগ্ম সদস্য সচিব-আলাউদ্দীন মোহাম্মদ (আন্তর্জাতিক), এসএম সাইফ মুস্তাফিজ (কোষাধ্যক্ষ), মো. নিজাম উদ্দিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা, ফরিদুল হক, মো. আতাউল্লাহ। আন্তর্জাতিক সম্পাদক-তাহসীন রিয়াজ, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক-আশরেফা খাতুন। দপ্তর সম্পাদক-সাদিয়া ফারজানা দিনা এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক-ইফতেখারুল ইসলাম। আইন সম্পাদক-অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, সহ-আইন সম্পাদক-অ্যাডভোকেট এরশাদুল বারি ও অ্যাডভোকেট ছেহায়েত উল্লাহ। প্রচার সম্পাদক-জয়নাল আবেদীন শিশির, সহ-প্রচার সম্পাদক-মেজবাহ কামাল মুন্না ও শাহাদাত হোসেন। শিক্ষা সম্পাদক-ফয়সাল মাহমুদ শান্ত ও সহ-শিক্ষা সম্পাদক-সাকিব শাহরিয়ার।

বিভাগীয় সাংগঠনিক দায়িত্বে যারা : ঢাকা বিভাগের (উত্তর) সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী। চট্টগ্রাম বিভাগের (দক্ষিণ) সাংগঠনিক সম্পাদক এএসএম সুজাউদ্দীন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাওয়াদুল করিম। রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব মাহাদী। চট্টগ্রাম বিভাগের (উত্তর) সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিদ নওরোজ শাহ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম সৈকত।

রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পণ। এ বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন। সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী কামরুল আরিফ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ উদ্দিন তারেক। খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিন ইরা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্যা রহমতুল্লাহ। বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. শামীম হামিদী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সালমান। ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়াজ মেহেরাব তালুকদার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তানহা শান্তা। ঢাকা বিভাগের দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান অপু।

ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক (ডায়াস্পোরা) রাফে সালমান রিফাত, তানজিল মাহমুদ, আয়মান রাহাত ও তারেক রেজা। একই বিভাগে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিদওয়ান হোসেন অক্ষর, আরাফাত হোসেন আলিফ, জসিম উদ্দিন ও আলমগীর চৌধুরী আকাশ।

নারীবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর। কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান। পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং সহ-পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক এহসানুল মাহবুব জোবায়ের।

স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা। মিডিয়া সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত, সহ-মিডিয়া সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা সানাউল্লাহ খান, সহ-ধর্ম সম্পাদক সাগর বড়ুয়া ও জয় বিশ্বাস। গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান। সংস্কৃতি সম্পাদক লুৎফর রহমান, সহসংস্কৃতি সম্পাদক মেহেরাব সিফাত। শ্রমবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান। সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইয়েদ জামিল, সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহবুব আলম। তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক উল আলম, সহ-তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক তাওহিদ তানজিম। প্রবাসীকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ।

Top