পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ


মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন: দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। গত তিন অর্থবছরে পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১২ লাখ মেট্রিক টন। উৎপাদনের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের পেঁয়াজের চাহিদা দেশীয় উৎপাদন দিয়ে পূরণের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছিল ৩৯ লাখ ১১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার ৭০০ মেট্রিক টনে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ৫০ লাখ ৯০ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন।

উৎপাদন বাড়ার এই প্রেক্ষাপটে কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় পেঁয়াজ আমদানি নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। দেশীয় পেঁয়াজে বাজারের সরবরাহ বাড়ায় আমদানিনির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। সরকারের এমন অবস্থানে কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। তবে উৎপাদনে অগ্রগতি এলেও ভোক্তার জন্য সারা বছর সাশ্রয়ী দামে পেঁয়াজ নিশ্চিত করা এবং কৃষকের ন্যায্যমূল্য বজায় রাখা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।

কৃষি খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের বিষয়টি শুধু উৎপাদনের পরিমাণ দিয়ে বিচার করলে হবে না। দেশের মোট চাহিদা, বীজ ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার, সংরক্ষণে ক্ষতি এবং মৌসুমভিত্তিক সরবরাহের হিসাবও বিবেচনায় নিতে হবে। বিশেষ করে উৎপাদন মৌসুমে দাম পড়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে সরবরাহ কমে দাম বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে দেশীয় উৎপাদনের সুফল কৃষক ও ভোক্তা-দুই পক্ষই পাবে।

তিন বছরে উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১২ লাখ টন: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেঁয়াজ উৎপাদন বেড়েছিল ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। পরের অর্থবছরে উৎপাদন আরও ৬ লাখ ৪২ হাজার ২০০ মেট্রিক টন বেড়েছে। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে উৎপাদন বেড়েছে ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন। শতাংশের হিসাবে এই বৃদ্ধি প্রায় ৩০ শতাংশ।

উৎপাদনের এই প্রবৃদ্ধি দেশের কৃষিতে পেঁয়াজের গুরুত্ব ও উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি, কৃষকের অভিজ্ঞতা, উপযোগী জাতের ব্যবহার এবং উৎপাদন সম্প্রসারণ এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখে থাকতে পারে। তবে উৎপাদন বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণে আবাদি জমি, হেক্টরপ্রতি ফলন এবং অঞ্চলভিত্তিক উৎপাদনের তথ্য বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

দেশে পেঁয়াজের চাহিদা বছরজুড়েই থাকে। রান্নার অন্যতম প্রধান উপকরণ হওয়ায় বাজারে পণ্যটির সরবরাহে সামান্য ঘাটতি দেখা দিলেও দামে তার প্রভাব পড়ে। অতীতে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেলে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। এখন উৎপাদন বাড়ায় সেই নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আমদানি কমানোর সুযোগ, কৃষকের স্বার্থে নজর: প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৭৩০ মেট্রিক টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৪ লাখ ৭৩ হাজার ১১৬ মেট্রিক টনে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেওয়া তথ্যে আমদানির পরিমাণ ৮৬ হাজার ৩৬৮ মেট্রিক টন। তবে শেষের সংখ্যাটি পূর্ণ অর্থবছরের নাকি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আমদানির হিসাব, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তথ্যমতে, আমদানির পরিমাণ কমার প্রবণতা স্পষ্ট। দেশীয় উৎপাদন বাড়লে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আনার প্রয়োজন কমতে পারে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজার তৈরি হওয়ার সুযোগ বাড়ে।

তবে আমদানি বন্ধ বা সীমিত করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রাখা জরুরি। দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেলে বাজারে মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আবার উৎপাদন মৌসুমে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে দাম উৎপাদন খরচের নিচে নেমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাই আমদানি নীতি নির্ধারণে কৃষকের ন্যায্যমূল্য ও ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতাÑদুটিকেই গুরুত্ব দিতে হবে।পেঁয়াজ উৎপাদনে অগ্রগতির পাশাপাশি সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাপ্ত তথ্যমতে, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলতি বছরের পেঁয়াজের সংরক্ষিত মজুতের পরিমাণ ৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৭৪ মেট্রিক টন। এই মজুতের তথ্য পেঁয়াজের সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এটি সরকারি, বেসরকারি ও কৃষক পর্যায়ের কোন কোন মজুত অন্তর্ভুক্ত করে এবং কত দিন পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকবে, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

পেঁয়াজের একটি বড় সমস্যা হলো সংরক্ষণকালীন পচন ও ওজন কমে যাওয়া। প্রচলিত পদ্ধতিতে যথাযথ বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা না গেলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পেঁয়াজ নষ্ট হতে পারে। ফলে উৎপাদন বেশি হলেও মৌসুমের পরবর্তী সময়ে বাজারে ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।এই সমস্যা মোকাবিলায় কৃষক পর্যায়ে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রণোদনার আওতায় ৪ হাজারটি এয়ার ফ্লো মেশিন দেওয়া হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রথম কিস্তিতে ৪ হাজার এবং দ্বিতীয় কিস্তিতে ১৫ হাজারÑমোট ১৯ হাজার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। এর বাইরে কর্মসূচির আওতায় দেওয়া হয়েছে আরও ৩ হাজার ৭০০টি। সব মিলিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিতরণ করা হয়েছে ২২ হাজার ৭০০টি এয়ার ফ্লো মেশিন।

সংরক্ষণের এই উদ্যোগ সফল হলে কৃষক উৎপাদনের পরপরই কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হবেন না। সংরক্ষিত পেঁয়াজ পরিকল্পিতভাবে বাজারে সরবরাহ করা গেলে মৌসুমের পরবর্তী সময়ে সরবরাহের ঘাটতি ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। প্রণোদনায় দেড় লাখের কাছাকাছি কৃষক: পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়াতে কৃষককে প্রণোদনা দেওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পেঁয়াজ উৎপাদনের জন্য ১ লাখ ৪১ হাজার ৯০০ জন কৃষককে প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কৃষকসংখ্যার তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং চাষে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রণোদনার পাশাপাশি উন্নত মানের বীজ, সময়মতো সার ও সেচ, রোগবালাই দমন, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য এবং সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে উৎপাদনের সময় বাজারদর পড়ে গেলে কৃষক যেন পরের মৌসুমে পেঁয়াজ চাষ থেকে সরে না যান, সে জন্য কার্যকর বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি।কৃষি সচিব মো. সেলিম খান বলেন, দেশকে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যে অনুশাসন দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে পূরণ করা এবং আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। এ জন্য কৃষকেরা যাতে সময়মতো পেঁয়াজ চাষ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, চাষাবাদে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও কৃষকদের উৎসাহিত করার মাধ্যমে পেঁয়াজের ফলন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদিত পেঁয়াজের যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সংরক্ষণব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় উৎপাদিত পেঁয়াজের একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এতে একদিকে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন, অন্যদিকে বাজারে সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এয়ার ফ্লো মেশিনের মাধ্যমে পেঁয়াজ সংরক্ষণের আধুনিক পদ্ধতি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কৃষকদের মধ্যে আরও এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে উৎপাদিত পেঁয়াজ দীর্ঘ সময় ভালো রাখা যায় এবং মৌসুম-পরবর্তী সময়েও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়েও কৃষি মন্ত্রণালয় সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। প্রচলিত মৌসুমের বাইরে পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানো গেলে সারা বছর বাজারে সরবরাহ বজায় রাখা সহজ হবে এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে। এ ক্ষেত্রে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা, উন্নত জাতের ব্যবহার এবং উৎপাদন ও সংরক্ষণব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য শুধু পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানো নয়, বরং উৎপাদিত পেঁয়াজের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, কৃষকের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং দেশের ভোক্তাদের জন্য সারা বছর পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা। এসব উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ধীরে ধীরে পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং আমদানিনির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

স্বয়ংসম্পূর্ণতার সুফল পৌঁছাতে হবে কৃষকের ঘরে
পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতি নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক। তিন অর্থবছরে উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়ার পাশাপাশি আমদানির পরিমাণও কমেছে। সংরক্ষণে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কৃষক পর্যায়ে প্রণোদনা এই অগ্রগতিকে আরও টেকসই করার সুযোগ তৈরি করেছে। কিন্তু উৎপাদন বাড়লেই কৃষকের আয় বাড়বে, এমন নিশ্চয়তা নেই। মাঠে পেঁয়াজ ওঠার সময় দাম কমে গেলে কৃষক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। অন্যদিকে সংরক্ষণের ঘাটতি থাকলে কয়েক মাস পর বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিতে পারে। তাই উৎপাদন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও আমদানি ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পেঁয়াজের উৎপাদন ও মজুতের নির্ভরযোগ্য তথ্য নিয়মিত প্রকাশ, কৃষক পর্যায়ে সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং পাইকারি ও খুচরা বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ বিবেচনায় ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। দেশীয় পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধি বাংলাদেশকে আমদানিনির্ভরতা কমানোর বাস্তব সুযোগ এনে দিয়েছে। এখন প্রয়োজন সেই অগ্রগতিকে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যে রূপ দেওয়া। কৃষক যেন ন্যায্যমূল্য পান, ভোক্তা যেন সাশ্রয়ী দামে পেঁয়াজ কিনতে পারেন এবং সংরক্ষণের অভাবে উৎপাদিত পেঁয়াজ নষ্ট না হয়-এই তিন লক্ষ্য পূরণ করতে পারলেই পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার সুফল দেশের মানুষ পাবে।

Top