মাদরাসা শিক্ষকদের বেতনের সমস্যা দ্রুতই কেটে যাবে - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ সরকারের বর্তমান কাঠামো আড়াইতলা বা আড়াই স্তরবিশিষ্ট সংখ্যাগত প্রায় সব দিক থেকেই এগোচ্ছে দেশ,কিন্তু মান কোথায়! ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার, বন্ধুত্বের তিলোত্তমা থেকে বসবাসের অযোগ্য রাজধানী ঢাকা কুয়াকাটার বেড়িবাঁধে ভাঙন ‘বুড়ো’ ইঞ্জিনে ধুঁকছে রেল,জোড়াতালির ট্রেনে গভীর হচ্ছে সংকট মির্জা ফখরুল ও রিজভীকে মূল্যায়ন উজ্জীবিত বিএনপির তৃণমূল

মাদরাসা শিক্ষকদের বেতনের সমস্যা দ্রুতই কেটে যাবে


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা: মাদরাসা শিক্ষকদের বেতনের সমস্যা দ্রুতই কেটে যাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়।জাতীয় সংসদে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মো. নুরুল আমীনের বক্তব্যের পর মঙ্গলবার (১৬ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানায়।জাতীয় সংসদে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মো.নুরুল আমীন বলেছেন,জুন মাসের ১৬ তারিখেও মাদরাসার কোনো শিক্ষককে বেতন দেওয়া হয়নি।তিনি আরও বলেন,একজন শিক্ষক টাকার অভাবে মায়ের চিকিৎসা করতে পারছেন না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদানের সমস্যাটি দ্রুততম সময়ে সমাধানের জন্য বর্তমান সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।ইতোমধ্যে, ‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (২য় সংশোধিত) (প্রস্তাবিত ৩য় সংশোধন)’ প্রকল্প গত ৯ জুন তারিখে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। এর মাধ্যমে বেতন ভাতা প্রদানের সমস্যাটি সহজেই সমাধান হবে।২০১৭ সালে ‘মাদরাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম’ প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। সেসময় প্রকল্পটি ছিল প্রায় ১০ কোটি ১২ লাখ টাকার। বিগত সরকারের সময় প্রকল্পটি ইএফটি কার্যক্রম বাদ দিয়ে অনুমোদন করার ফলে মাদরাসার শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।

গত ৯ জুন একনেকে সংশোধনী অনুমোদনের ফলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।বর্তমানে এ প্রকল্পটি প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকার।পূর্বে এ প্রকল্পের মাধ্যমে আটটি বিভাগে আটটি মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাইলটিং কার্যক্রমের আওতায় ইএফটি এর মাধ্যমে বেতন-ভাতা পরিশোধের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছিল। ফলে আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্যান্য সব মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানুয়াল বা অ্যানালগ পদ্ধতিতে বেতন ভাতা পরিশোধ করা হচ্ছে।সেজন্য বেতন ভাতা পরিশোধে কয়েকদিন দেরি হচ্ছে।তবে খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Top