বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যয় কমাতে ১১ পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার
মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন:মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধের ফলে উদ্ভূত বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যয় কমাতে ১১ পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।এছাড়াও ব্যয় কমিয়ে অর্ধেক করা হয়েছে আপ্যায়ন ও প্রশিক্ষণ খরচ।রোববার এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এতে সব ধরনের যানবাহন কেনা বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। এমনকি সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিমও বন্ধ থাকবে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, আপ্যায়ন ব্যয় খাতে অব্যয়িত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০% ব্যয় করা যাবে। মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর পরিচালিত অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ খাতে অব্যয়িত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০% ব্যয় করা যাবে। তবে বিভিন্ন সরকারি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিচালিত প্রশিক্ষণগুলো এর আওতাবহির্ভূত থাকবে। সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ/সেমিনার/সিম্পোজিয়াম/ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে। বিদ্যুৎ, পেট্রোল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট, গ্যাস ও জ্বালানি ও ভ্রমণ ব্যয় খাতে অবশিষ্ট অর্থের সর্বোচ্চ ৭০% ব্যয় করা যাবে। এর অতিরিক্ত ব্যয় করলে ভবিষ্যতে কোনো বকেয়া দাবি করা যাবে না। সেমিনার/কনফারেন্স ব্যয় খাতে অবশিষ্ট অর্থের সর্বোচ্চ ৮০% ব্যয় করা যাবে। তবে সব ধরনের সভা/সেমিনার/কনফারেন্স/সিম্পোজিয়াম/ওয়ার্কশপের আপ্যায়ন ব্যয়ে ৫০% ব্যয় করা যাবে। সব ধরনের যানবাহন ক্রয় মোটরযান, জলযান, আকাশযান খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় বন্ধ থাকবে। আবাসিক-অনাবাসিক অন্যান্য ভবন স্থাপনা খাতে অবশিষ্ট অর্থের ৫০% ব্যয় করা যাবে। তবে চলমান নির্মাণকাজ ন্যূনতম ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে থাকলে অর্থ বিভাগের অনুমোদনক্রমে ব্যয় নির্বাহ করা যাবে। অভ্যন্তরীণ শোভাবর্ধন খাতে অব্যয়িত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০% ব্যয় করা যাবে। কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খাতে ব্যয় বন্ধ থাকবে। পরিচালন বাজেটের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ খাতে ব্যয় বন্ধ থাকবে। তবে উন্নয়ন বাজেটের ক্ষেত্রে অধিগ্রহণ কার্যক্রমের সব আনুষ্ঠানিকতা প্রতিপালনপূর্বক অর্থ বিভাগের পূর্বানুমোদন গ্রহণ সাপেক্ষে ব্যয় করা যাবে। সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি ক্রয়ে সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম সুদমুক্ত ঋণ প্রদান বন্ধ থাকবে।