কাফনের কাপড় পড়ে বিষের বোতল হাতে সাংবাদিক ফিরোজ মোস্তফা - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশ থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা সাহাবুদ্দিন মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের প্রতি তিনি সমর্... রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন উজিরপুরের জমি দখলকারী তিনজন কারাগারে এনআইডি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইসির, পাবেন ছোটরাও সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়া... ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল

কাফনের কাপড় পড়ে বিষের বোতল হাতে সাংবাদিক ফিরোজ মোস্তফা


প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা :পুলিশ সদস্য কর্তৃক হাতুড়িপেটার শিকার হওয়া সাংবাদিক ফিরোজ মোস্তফা হাতে বিষের বোতল নিয়ে এবং শরীরে কফিনের কাপড় জড়িয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছেন। এসময় তিনি পুলিশ সদস্যদের কর্তৃক জুলুম, নির্যাতন ও ব্লাকমেইলের হাত থেকে রক্ষার দাবি জানান। সেইসাথে তার ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় বরিশাল নগরের অশ্বিনী কুমার হলের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে ওই কর্মসূচি পালন করেন বরিশালের সাংবাদিক ফিরোজ মোস্তফা।তিনি জানান, দীর্ঘ ৬ মাস ধরে কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই সাইদুল ইসলাম সাঈদ ও আমানতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ক্লোজড হওয়া কনস্টেবল নাভিদ আনজুম কর্তৃক জুলুম, নির্যাতন ও ব্লাকমেইলের শিকার হচ্ছেন তিনি। শুরুতে কনস্টেবল নাভিদ আনজুম কৌশলে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়, এরপর সেখান থেকে ব্যক্তিগত কিছু ছবি ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল শুরু করে। তিনি (ফিরোজ মোস্তফা) বিষয়টি বুঝতে পেরে সতর্ক করতে গেলে নভেম্বর মাসে তার ওপর হামলা করা হয় এবং সে সময় নাভিদ ও তার সহযোগীরা তাকে মারধর করে, উলঙ্গ করে ভিডিও করে এবং তিনদিন আটকে রাখে। ধারাবাহিকতায় সবশেষ গত ৮ তারিখে তারা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। তারা আমার নিজস্ব ও অফিসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস নিয়ে যায়। যা ফেরত পাওয়ার পাশাপাশি স্বাভাবিকভাবে কর্মে ফিরে যাওয়ার তাগিদে বিষয়গুলো নিয়ে শুরু থেকেই পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে গেলেও কোনো সুরাহা পাইনি।

ফিরোজ মোস্তফা বলেন, গত ১১ ডিসেম্বর মেডিক্যাল থেকে বাসায় আসলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ আমার মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ডিভাইস, পাসপোর্ট, এনআইডি কার্ড, রেডিওর লাইসেন্সসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল এখনও পাইনি। আমার সোশ্যাল মিডিয়ার সব আইডি এএসআই সাঈদুল ইসলাম ব্যবহার করছে। এককথায় আমার সব ধরনের অধিকার তারা হরণ করেছে। আমি বিচারের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি, তারা আশ্বাস দিয়া বুলি আউরিয়েছে। তারা বলেছে নাভিদ আনজুমকে ক্লোজড করেছে, কিন্তু ঘটনার পর নাভিদ আনজুদ পোশাক পরে বিবির পুকুর পাড়ে এসে হুমকি দেয়- একজনকে মারতে নাকি ৫ হাজার টাকা খরচ করলেই হয়ে যায়।তিনি বলেন, ওই পুলিশ সদস্য যদি আমার জীবনের মূল্য ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে, তাহলে আমি তো ৯০ টাকায় বিষ কিনে এনে জীবনের মূল্য নির্ধারণ করলাম। আমি ওদের ব্লাকমেইলের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছি, ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছি।এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, আমরা ফিরোজ মোস্তফার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি, কেউ তার সাথে অন্যায় করে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এদিকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের কর্মকর্তা ও সাংবাদিক নেতাদের হস্তক্ষেপে বেলা ১ টার দিকে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন ফিরোজ মোস্তফা।

Top