আমাদের ডাক্তাদের গ্রামে-গঞ্জে পোস্টিং দিলে তদবির শুরু হয়ে যায় - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফের জানাযায় মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের অংশগ্রহণ বই ছাপায় সিন্ডিকেট,আওয়ামী লীগ নেতা রাব্বানীর একক দরপত্র, সরকারের বাড়তি খরচ ৩ কোটি টাকা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশ্বব্যাংক ও এআইআইবি অর্থায়ন করতে আগ্রহী,গাবতলী-নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেল ব্যয় ৬১ হাজার কোটি টাকা অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তৃণমূলের দায়িত্বশীলদের যোগ্য হয়ে উঠতে হবে ওয়াশরুমের ফলস ছাদে লুকিয়ে পুলিশকে গুলি,মোবারকসহ গ্রেফতার ৪,পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত , লুট হওয়া অস্ত্র-গু... ফ্যামিলি কার্ডে নতুন হিসাব ৪১ লাখ কার্ড বানাতেই ব্যয় ২৪৬ কোটি টাকা শেষ মুহূর্তে বিরোধী দলের ওয়াকআউট,সংসদে তিন বিল উত্থাপন ফের আলোচনায় ভারতের হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইন,বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার অপপ্রচার ঠেকাতে এমপিদের মাঠে থাকার নির্দেশ,

আমাদের ডাক্তাদের গ্রামে-গঞ্জে পোস্টিং দিলে তদবির শুরু হয়ে যায়


আলোকিত বার্তা:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, আমাদের ডাক্তাদের গ্রামে-গঞ্জে পোস্টিং দিলে তদবির শুরু হয়ে যায়। আপনাদের যেখানেই পোস্টিং দেওয়া হয় সেখানে কাজ শুরু করবেন।আপনাদের সকল সুবিধা আমরা নিশ্চিত করবো।শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রাম রেডিসন ব্লুর মোহনা হলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কার্ডিওলোজি কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা যদি আমরা সমৃদ্ধ করতে পারি তাহলে ঢাকায় এতো রোগীর চাপ হবে না। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার সকল সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। উপজেলায় চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও আবাসন ব্যবস্থা যদি ঠিক করতে না পারি তাহলে আমরা কিভাবে উপজেলায় একজন চিকিৎসককে থাকতে বলবো!

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি প্রথমে উপজেলাকে সাজাতে চাই। যেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে একজন চিকিৎসক থাকতে চাইবেন। এমনও উপজেলা আছে সেখানে একটি অক্সিজেন সিলিন্ডারের অভাব। চিকিৎসকদের সুরক্ষার জন্য আমি কাজ করতে চাই। আপনারা আপনাদের রুটিন দায়িত্ব পালন করুন। আমি আপনাদের পাশে আছি।তিনি বলেন, আমি অনেক হাসপাতাল ইতোমধ্যে পরিদর্শন করেছি। যেখানে পাঁচটার পর ডাক্তার দেখিনি। এটি খুবই দুঃখজনক। আমি কথা দিচ্ছি আমি আপনাদের পাশে আছি। আপনাদের সমস্যা আমি আস্তে আস্তে ঠিক করবো। চিকিৎসকদের মর্যাদা বাড়ানোর জন্য যা করার দরকার আমি তাই করবো। আপনারা যে কোনো সমস্যায় আমার কাছে আসেন। আমি সমাধান করবো। কিন্তু রোগীরা ডাক্তারের অবহেলায় যেন কষ্ট না পায়।তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, ১৯৫৯ সালে যখন আমি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হই তখনকার চট্টগ্রাম আর এখনকার চট্টগ্রাম অনেক বদলে গেছে। আমি বসে বসে চিন্তা করছিলাম আমার সেই ছাত্র জীবনের কথা।

Top