শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করে দুই বছরেও নিয়োগ না পাওয়া বঞ্চিত নিয়োগে দেওয়ার নির্দেশ - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
সন্ত্রাসীদের হামলা, গুরুতর আহত শাহাবুদ্দিন খান,নিরাপত্তা হীনতায় নিজ এলাকা ছাড়া অসহায় পরিবারটি বাবুগঞ্জে জামায়াত কর্মীদের উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এনআরবিসি ব্যাংকে চলছে লুটপাট, মূল নায়ক চেয়ারম্যান এমডি আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করলে ছাড় নয় মোহাম্মদ আবুল কাশেমের শত কোটি টাকার দুর্নীতি! বিএনপির মুখোশ পরে দুদকের নজর এড়ানোর ফন্দি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ২২ হাজার প্রবাসীর এনআইডি আবেদন বাতিল কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? হজের নিবন্ধনের সময় আরও এগিয়ে আনলো সৌদি আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করে দুই বছরেও নিয়োগ না পাওয়া বঞ্চিত নিয়োগে দেওয়ার নির্দেশ


আলোকিত বার্তা:শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করে দুই বছরেও নিয়োগ না পাওয়া এক হাজার ২৭০ জনকে ধারাবাহিকভাবে শূন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ণ কর্তৃপক্ষের (এনসিআরসিএ) চেয়ারম্যানকে দেয়া এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।নির্দেশনায় বলা হয়, ২০১৯ সালে দ্বিতীয় নিয়োগচক্রের ভুল চাহিদার সুপারিশের কারণে নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করেও নিয়োগ পাননি। এরপর গত বছরের ৯ জুন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সভায় তাদের সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু প্রায় দেড় বছরের সে নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি।চিঠিতে বলা হয়, ওই সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এসব প্রার্থীদের স্থায়ী ঠিকানা নিকটবর্তী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে ও স্ব স্ব বিষয়ের বিপরীতে পূর্বের সুপারিশের ধারাবাহিকতায় প্রতিস্থাপন করতে হবে।জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদ না থাকার পরও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শূন্য পদ দেখিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। এর বিপরীতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) তাদের সুপারিশ করে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তারা দেখেন পদ শূন্য নেই। এতেই কপাল পুড়েছে ওই প্রার্থীদের।

গত দুই বছর ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনটিআরসিএ ঘুরেও তারা কোনো সমাধান পাননি। সর্বশেষ গত বছরের জুনে সমস্যা সমাধানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নির্দেশ দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এতে চরমভাবে হতাশ হয়ে পড়েন এসব প্রার্থী।সর্বশেষ গত ৫ জানুয়ারি তারা এনটিআরসিএ নতুন চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. আশরাফ উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি তুলে ধরেন। সেখানে বঞ্চিতরা জানান, তারা ২০১৮ সালে ২য় নিয়োগ পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ভুল তথ্যের কারণে নিয়োগ ও এমপিও হচ্ছে না। এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীকে এজন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই। তিনি আমাদের বিষয়টি মনে রেখে নিয়মিত মনিটরিং করেছেন। সেজন্য আমাদের দাবিগুলো এখন বাস্তবায়নের পথে।’গত জুনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে নারী কোটায় নবসৃষ্ট পদ, প্যাটার্ন জটিলতা, নব-যোগদানকারী নিয়োগ ও এমপিও বঞ্চিতদের সমস্যা নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠক হয়। বৈঠকে তৎকালীন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী সব সমস্যা সমাধানে এনটিআরসিএকে ৬টি দিকনির্দেশনা দেন।এরপর গত ৬ মাসে নারী কোটা, নবসৃষ্ট ও অন্যান্য পদের সমাধান হলেও নিয়োগ ও এমপিও বঞ্চিত এক হাজার ২৭০ জনের ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এনটিআরসিএ।

Top