প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় এক জনকে আটক করেছে পুলিশ। - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশাল কাশিপুরে জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান আর নেই ! উজিরপুরে বাবার ‘পরকীয়া’ নিয়ে বিরোধ, বিধবার ঘরে ছেলের হামলার অভিযোগ উজিরপুরে জমি বিরোধে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম বরিশালে অসাধারণ আয়োজনে সাংবাদিকদের আনন্দ ভ্রমণ নমিনির পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা বেড়ে ৮০ বছর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেই, দলকে চাঙ্গা করার উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ন... ওয়াদা ভঙ্গ করে দেশ যেভাবে চলছে, তাতে সংকট হবে ইউপি ভোটের সময় নির্ধারণ করতে পারেনি ইসি,নভেম্বরে ভোট হচ্ছে না,রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্বেগ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা ভালো হয়েছে এনবিআরে ১৯১ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার পদোন্নতি

প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় এক জনকে আটক করেছে পুলিশ।


রিপান হাওলাদার:বরিশাল নগরীতে জুয়া খোলার পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় এক জনকে আটক করেছে পুলিশ।আজ মঙ্গলবার(৫ নভেম্বর)দুপুরে হত্যাকারী সুমনকে পটুয়াখালী থেকে আটক করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।বরিশাল কোতয়ালি থানা সূত্রে জানা গেছে,নগরীর আমানতগঞ্জ কশাইবাড়ির পোল এলাকায় রুহুল আমিন নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনায় প্রধান ঘাতক সুমন পালিয়ে যায়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে পটুয়াখালী থেকে আটক করা হয়।উল্লেখ্য,জুয়া খেলার পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে রুহুল আমিন(২৬)নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।সোমবার বিকেল ৪টার দিকে নগরীর আমানতগঞ্জ কশাইবাড়ি পোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত রুহুল আমিন ভোলা সদর উপজেলার দিঘলদী এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও নগরীর উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা শফিউল ইসলামের মেয়ে জামাই। রুহুল আমিন শ্বশুর বাড়িতে থেকে নগরীর বাজার রোডের একটি দোকানে কাজ করতেন।অভিযুক্ত সুমন ওরফে লাইলী সুমন আমনতগঞ্জ ইসলামিয়া কলেজ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় প্রাইভেটকার চালক। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৪টার দিকে রুহুল আমিন তার দুজন বন্ধুর সঙ্গে কশাইবাড়ি পুল সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিত্যক্ত ভবনের পাশে বসে ছিলেন। এ সময় সাইকেল চালিয়ে সেখানে আসেন সুমন।পাওনা টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।এক পর্যায়ে সুমন তার কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র (দা) বের করে রুহুল আমিনকে কোপাতে থাকেন।এ সময় তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু পালিয়ে যায়।রুহুল আমিন দৌড়ে পাশের ঈদগাহ মাঠে গিয়ে পড়ে গেলে সেখানেও তাকে কোপায় সুমন। পরে সুমন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলে স্থানীয়রা রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহত রুহুল আমিন ও সুমনের ঘনিষ্ঠজনরা জানান, রুহুল আমিন ও সুমন একসঙ্গে চলাফেরা করত।তারা মোবাইলে লুডু খেলার মাধ্যমে জুয়া খেলত। খেলায় কয়েকবার হেরে যায় রুহুল আমিন। তার কাছে জুয়ার টাকা বাবদ ২৬ হাজার টাকা পেতেন সুমন।এ নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশও জানয়েছিলেন,জুয়া খেলার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের কথা শোনা যাচ্ছে।তবে অন্য কোনো কারণেও এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। পাশাপাশি এ ঘটনায় নিহতের বাবা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানা গেছে।

Top