চাখারের সাব রেজিষ্ট্রার মো.সাদিকুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশাল কাশিপুরে জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান আর নেই ! উজিরপুরে বাবার ‘পরকীয়া’ নিয়ে বিরোধ, বিধবার ঘরে ছেলের হামলার অভিযোগ উজিরপুরে জমি বিরোধে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম বরিশালে অসাধারণ আয়োজনে সাংবাদিকদের আনন্দ ভ্রমণ নমিনির পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা বেড়ে ৮০ বছর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেই, দলকে চাঙ্গা করার উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ন... ওয়াদা ভঙ্গ করে দেশ যেভাবে চলছে, তাতে সংকট হবে ইউপি ভোটের সময় নির্ধারণ করতে পারেনি ইসি,নভেম্বরে ভোট হচ্ছে না,রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্বেগ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা ভালো হয়েছে এনবিআরে ১৯১ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার পদোন্নতি

চাখারের সাব রেজিষ্ট্রার মো.সাদিকুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।


পাখি আক্তার:বানারীপাড়ায় শেরে বাংলার চাখারের সাব রেজিষ্ট্রার মো. সাদিকুল ইসলাম তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।জানা গেছে,দলিল রেজিস্ট্রি করতে প্রতি লাখ টাকায় তাকে দুই হাজার টাকা করে দিতে হয়। প্রতি মাসে চাখার সাব রেজিষ্ট্রী অফিসে প্রায় দুই শতাধিক দলিল রেজিষ্ট্রি হয়। এতে প্রতি মাসে তার প্রায় অর্ধকোটি টাকা ঘুষ বানিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ আয় হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে দলিল রেজিষ্ট্রী বাবদ সরকারের অনুকুলে প্রতি লাখে ৯ পার্সেন্ট টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও সেখানে ১৩ পার্সেন্ট নেওয়া হয়। কাগজপত্রে বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যূতির অজুহাত ও এ ব্যপারে সম্যক ধারণা না থাকায় অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কারনে জমির ক্রেতা-বিক্রেতারা আর্থিক ক্ষতির সন্মূখিন হন।দলিল লেখকরা অতিরিক্ত এ ৪ পার্সেন্ট টাকা নিয়ে দলিল প্রতি লাখে দুই হাজার টাকা করে সাব-রেজিষ্টারকে দেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক জানান।

তারা জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের প্রধান করনিকের মাধ্যমে এ ঘুষ লেনদেন হয়।তবে নির্ধারিত হারের ওই টাকা না দিলে তিনি দলিল রেজিষ্ট্রী না করে বিভিন্ন অজুহাত দাঁড় করিয়ে ফেরত দেন বলে দলিল লেখকরা অভিযোগ করেন। অবৈধ এ ঘুষ বানিজ্য থেকে সাব-রেজিষ্টার বিশাল বিত্ত-ভৈববের মালিক বনে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।তিনি বিলাসবহুল গাড়িতে চড়ে অফিসে যাতায়াত করেন।

এদিকে বিভিন্ন সময় সাব-রেজিষ্টারদের অসততার এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জাল-জালিয়াতি দলিলের মাধ্যমে কয়েকজন দলিল লেখক আঙ্গুল ফলে কলাগাছ বনে গেছেন।এ প্রসঙ্গে চাখার সাব-রেজিষ্টার মো. সাদিকুল ইসলাম তালুকদার তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয় বলে জানান।প্রসঙ্গত সাব-রেজিষ্টার সাদিকুল ইসলাম তালুকদার নকলনবিশ থেকে করণিক হয়ে সাব-রেজিষ্টার পদে পদোন্নতী পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

Top