স্বামী আইনুল ইসলাম শান্ত ও তার মা শাহনাজ মাহমুদকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশাল কাশিপুরে জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান আর নেই ! উজিরপুরে বাবার ‘পরকীয়া’ নিয়ে বিরোধ, বিধবার ঘরে ছেলের হামলার অভিযোগ উজিরপুরে জমি বিরোধে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম বরিশালে অসাধারণ আয়োজনে সাংবাদিকদের আনন্দ ভ্রমণ নমিনির পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা বেড়ে ৮০ বছর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেই, দলকে চাঙ্গা করার উদ্যোগের কথা বলা হলেও বাস্তবভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ন... ওয়াদা ভঙ্গ করে দেশ যেভাবে চলছে, তাতে সংকট হবে ইউপি ভোটের সময় নির্ধারণ করতে পারেনি ইসি,নভেম্বরে ভোট হচ্ছে না,রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্বেগ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা ভালো হয়েছে এনবিআরে ১৯১ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার পদোন্নতি

স্বামী আইনুল ইসলাম শান্ত ও তার মা শাহনাজ মাহমুদকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ।


রফিকুল ইসলাম:নগরীর তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ও গৃহবধূ সুস্মিতা সরকার মিথিলাকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় স্বামী আইনুল ইসলাম শান্ত ও তার মা শাহনাজ মাহমুদকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই সাইদুল হক এ চার্জশিট জমা দেন। অভিযুক্তরা হলেন- পিরোজপুরের নাজিরপুর থানা এলাকার মনোহরপুর ফকির বাড়ির আলতাফ হোসেনের ছেলে ও স্ত্রী। নগরীর কলেজ অ্যাভিনিউর ৫ম গলির ইউনুস ভিলায় বসবাস করেন। প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে ঘটনার ৫ মাস পূর্বে মাইনুল ইসলাম শান্ত কলেজ ছাত্রী সুস্মিতা সরকার মিথিলাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর শান্ত তার স্ত্রীকে নিয়ে বাবার বাসায় ওঠেন। কিন্তু গত ১ জুন মা শাহনাজ মাহমুদ স্বীকার না করে ছেলেকে অন্যথায় বিয়ে করাবেন বলে হুমকি দিয়ে মিথিলার সাথে খারাপ আচরণ শুরু করেন। একই সাথে তাদের বাসা থেকে তাড়িয়ে দেন। এতে শান্ত ওই এলাকার আফসার উদ্দিন লেনে ছালাম মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে সংসার শুরু করেন। ওই বাসায় শান্ত তার স্ত্রী মিথিলাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন।

৮ জুন রাতে শাহনাজ মাহমুদের প্ররোচণায় শান্ত তার স্ত্রী মিথিলাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে নিহতের বাবা সরদার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা শান্ত ও তার মা শাহনাজ মাহমুদের বিরুদ্ধে ঘটনার সত্যতা খুঁজে পান। ঘটনার সত্যতা পেয়ে ৭ অক্টোবর এসআই সাইফুল হক আত্মহত্যায় প্ররোচিত আসামিদের বিরুদ্ধে ৩০৬ ধারায় চার্জশিট জমা দেন। বর্তমানে মাইনুল ইসলাম শান্ত জামিনে থাকলেও শাহনাজ মাহমুদ জেল হাজতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

Top