না যাওয়ার ব্যাখ্যা চাইলেন গয়েশ্বর ফখরুলের সংসদে - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
হিজলায় জামায়াতের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়ন সদস্যদের মধ্যে আইডি কার্ড বিতরণ পরিত্যক্ত সাবমেরিন ক্যাবল উত্তোলন ঘিরে চাঞ্চল্য, ‘প্রতিরোধ আন্দোলনের’ সংবাদ সম্মেলন পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন7 বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান প্রথম পুত্রসন্তান ও দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হলেন সাংবাদিক আম্মার হোসেন আম্মান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক মামলার বিচারে ২২ ট্রাইব্যুনাল ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগুরু’ নয়, সবাইকে বাংলাদেশী ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

না যাওয়ার ব্যাখ্যা চাইলেন গয়েশ্বর ফখরুলের সংসদে


আলোকিত বার্তা:বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন,‘প্রশ্ন উঠেছে, সবাই পার্লামেন্টে গেলো মহাসচিব গেলো না কেন?এটা আমার কাছেও খটকা লাগে,দলের সিদ্ধান্তে সবাই গেলে মহাসচিব যাবেন না কেন?আলাদা কারো ভালো থাকা বা আলাদা কারো হিরো হওয়ার সুযোগ নেই।তিনি কেন সংসদে যোগ দিলেন না নিশ্চয়ই সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেবেন।’জাতীয় প্রেস ক্লাবে শুক্রবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তির দাবিতে এ সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী নবীন দল।গয়েশ্বর বলেন, ‘এখন আমাদের সবচেয়ে খারাপ সময়। কারণ প্রধানমন্ত্রী যদি জনগণের ভোটে জয়লাভ করতো তাহলে তার মুখ থেকে নাবালক সূচক বক্তব্য আসতো না। আর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যখন শেখ হাসিনা বলেন, আমি তখন খুব প্রাউড ফিল (গর্ববোধ) করি। কেনো? কারণ তারেক রহমান রাজনীতিতে একটা ফ্যাক্ট। তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত। তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হবে এটাই স্বাভাবিক। প্রধানমন্ত্রী লন্ডন গেছেন চোখের চিকিৎসা করাতে নাকি মনের চিকিৎসা করাতে আমি জানি না। তবে তার এ সফরের মধ্যে দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আরেকটি ষড়যন্ত্রের আভাস পাচ্ছি।’

তিনি বলেন, আমরা যদি ইউনাইটেড থাকি,আমরা যখন সাহস করে মাঠে নামার জন্য ডাক দেব তখন তারা নেমে যাবেন। দেশবাসী আমাদের সঙ্গে নামার জন্য অপেক্ষা করছেন। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা কর্মসূচি দিলে তারা আমাদের সঙ্গে থাকবে। কারণ বিএনপি জনগণের দল।’বিএনপির মধ্যে সমন্বয় নেই দাবি করে দলটির এ নেতা বলেন, ‘আমাদের পাঁচজন গেছেন পার্লামেন্টে। নেত্রীর কথা, দেশের কথা বলবেন। উনারা বলেছেন, জনগণের চাপ, আমরা কেউ কেউ বেকুবের মতো বলছি সরকারের চাপ। জনগণের চাপ সত্য নাকি সরকারের চাপ? আমরা এলোমেলো কথা বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছি।’সংসদে যোগদানের সঙ্গে খালেদা জিয়ার মুক্তির সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন,‘দলীয় সিদ্ধান্তের আগে জাহিদুর রহমান শপথ নেয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পরবর্তীতে বাকিরা দলীয় সিদ্ধান্তে শপথ নিয়েছেন। আমাদের সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক না বেঠিক এ জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের সবাইকে এক সুরে কথা বলতে হবে।’

তিনি বলেন,‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপির মধ্যে পার্থক্য আছে।হাসিনা যা বলেন,যে গ্রামে বিদ্যুৎ নেই সেখানকার চায়ের দোকানেও নেতাকর্মীরা ওই একই কথা বলেন। কিন্তু আমরা একই বিষয়ে একেকজন একেক কথা বলি। অর্থাৎ আমাদের মধ্যে চিন্তা-ভাবনার সমন্বয়ের অভাব। অভাবের থেকে কর্মীদের মধ্যে জনগণের মধ্যে নানা সময় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। এই যে প্রশ্ন উঠেছে, সবাই পার্লামেন্টে গেলো মহাসচিব গেলো না কেন? এটা আমার কাছেও খটকা লাগে, তিনি কেন সংসদে যোগ দিলেন না নিশ্চয়ই সে বিষয়ে ব্যাখা দেবেন।’আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

Top