সঙ্গে সঙ্গে তার উল্টোটা ঘটে মন্ত্রীরা যা বলেন - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের স্থগিত পরীক্ষার নতুন তারিখ ৭৯ খাতে দুর্নীতি ১২১ কোটি টাকা প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে চিকিৎসার বাইরে ৯২ শতাংশ

সঙ্গে সঙ্গে তার উল্টোটা ঘটে মন্ত্রীরা যা বলেন


আলোকিত বার্তা:ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীরা যা বলেন,সঙ্গে সঙ্গে তার উল্টোটা ঘটে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।রিজভী বলেন,কদিন আগে বাণিজ্যমন্ত্রী ঘটা করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করেছিলেন- রমজান সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়বে না। তার পর দিনই হু হু করে দাম বেড়েছে প্রায় সব পণ্যের।

বিএনপির এ নেতা বলেন,গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবারেও পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি বিক্রয় হয় ২৫ টাকায়। এর এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ২০ টাকায়। গতকাল মঙ্গলবার সবকটি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৬ থেকে ২৭ টাকায়।একইভাবে এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হয়েছিল ৮০ টাকায়। এখন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। আলু প্রতি কেজি ১৬ থেকে বেড়ে ২০ টাকা হয়েছে। প্রতি কেজি চিনি ৫২ থেকে বেড়ে ৫৬ টাকা হয়েছে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৯০ থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯৮ টাকায়। এভাবে বেড়েছে ছোলা, ডাল, আদা, ময়দা, কাঁচামরিচসহ সবরকম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।রিজভী বলেন, নিত্যপণ্য কিনতে গিয়ে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন ক্রেতারা। মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। অল্প আয়ের মানুষ রমজানের আগে দিশেহারা।

পবিত্র রমজানের প্রাক্কালে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকারকে ধিক্কার জানান রিজভী।তিনি বলেন,অবৈধভাবে যারা ক্ষমতায় থাকে, তারা কখনই জনস্বার্থ দেখে না, জনকল্যাণ করতে পারে না।ওয়াসার এমডির সমালোচনা করে বিএনপির এ নেতা বলেন, সারা ঢাকা শহরে ওয়াসার দূষিত পানির সরবরাহে জনজীবন এখন ভয়ঙ্কর রকম সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। ওয়াসা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে নির্বিকার।তিনি বলেন, বাড়িতে বাড়িতে টাইফয়েড,ডায়রিয়া,জ্বর মহামারী আকার ধারণ করেছে। একদিকে আনাজ-পাতির অগ্নিমূল্য, অন্যদিকে দূষিত পানি পান জনজীবনকে করে তুলেছে দুর্বিষহ।য়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজে ওয়াসার পানি পান করেন না। অথচ তিনি বলছেন- ওয়াসার পানি ১০০ ভাগ বিশুদ্ধ। অবৈধ সরকার নিজে টিকে থাকার জন্য সারা জাতিকেই অসুস্থ বানাতে ওঠেপড়ে লেগেছে।

Top