ভোটার তালিকা হালনাগাদ ২৩ এপ্রিল থেকে শুরু - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীতে গণপরিবহন চলাচলে আসছে বড় পরিবর্তন এইচএসসির রসায়ন প্রশ্নে কোনো ভুল নেই, বলছে শিক্ষা বোর্ড ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট সুবিধা প্রত্যাহার ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হচ্ছে ২৭ জুলাই রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যোগ্যদের পদোন্নতি দিন বিশ্বস্তদের বসানোর কৌশল নেওয়া হচ্ছে,প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় আরও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গ... হাসিনা-বেনজীরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিতদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে কুয়াকাটায় হামলায় আহত সাংবাদিক বাচ্চুর পাশে বরিশাল সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি

ভোটার তালিকা হালনাগাদ ২৩ এপ্রিল থেকে শুরু


আলোকিত বার্তা:ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কার্যক্রম চলবে ১৩ মে পর্যন্ত।সোমবার ইসির জনসংযোগ অধিশাখার পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) এসএম আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন,নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ হলে ওয়ার্ডে স্থাপিত নিবন্ধন কেন্দ্রে চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি ও দশ আঙুলের ছাপ নেয়া হবে। এরপর ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।আসাদুজ্জামান বলেন, এবার মোট চার বছরের তথ্য নেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তবে তিন বছরের নাকি চার বছরের তথ্য নেয়া হবে, সে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি কমিশন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, চার বছরের তথ্য নিলে ২০০৪ সালের ১ জানুয়ারির আগে যারা জন্ম নিয়েছেন তাদের তথ্য নেয়া হবে। আর তিন বছরের তথ্য নিলে ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারির আগে যাদের জন্ম হয়েছে, তাদের তথ্য নেয়া হবে। এক্ষেত্রে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ হবে তাদের তালিকায় যুক্ত করা হবে আগামী বছর।এরপর ২১, ২২ ও ২৩ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ হবে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়ে যাবেন।কমিশন বৈঠকে সূত্রে জানা গেছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ইসির নিয়োগ করা তথ্য সংগ্রহকারীরা তথ্য নেয়ার তিন সপ্তাহ পর নির্দিষ্ট নিবন্ধন কেন্দ্রে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি ও দশ আঙুলের ছাপ দিতে হবে। আর নিবন্ধন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে প্রতিটি ওয়ার্ডে।

প্রতি ২ হাজার নাগরিকের বিপরীতে একজন করে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ দেয়া হবে। ৫ জন তথ্য সংগ্রহকারীর জন্য থাকবেন একজন সুপারভাইজার। প্রতি ৭০ জন নাগরিকের জন্য একজন করে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ করা হবে। যারা ভোটারদের তথ্য সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করবেন।

Top