এক পুলিশ কর্মকর্তা! পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা পাল্টে দিচ্ছে - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা দুই মেট্রোরেল পাচ্ছে ৫৮ হাজার কোটি টাকা ৪৯তম বিসিএস বাদ পড়া ৪৬ জনের নিয়োগ সোমবার দলে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার কঠোর অবস্থান বিএনপির নানিয়ারচরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভা: মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স ঘোষণা বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় আওয়ামী লীগের পেতাত্মা বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে দুই সাংবাদিকের ওপর হাম... এক পুলিশ কর্মকর্তা! পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা পাল্টে দিচ্ছে হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি

এক পুলিশ কর্মকর্তা! পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা পাল্টে দিচ্ছে


এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া :পুলিশ কর্মকর্তা হলেও অসহায় মানুষের কাছে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি পরিচিত পুলিশ সুপার (এসপি) এমএম মাহামুদ হাসান। তাঁর মতো কিছু পুলিশ কর্মকর্তার করা ভালো কাজগুলো পাল্টে দিচ্ছে পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা। অপরাধ নির্মূলে দক্ষ এই পুলিশ কর্মকর্তা পুলিশের কনস্টেবল থেকে শুরু করে ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের মাঝেও তিনি জনপ্রিয়।

মাহামুদ হাসান পুলিশ কর্মকর্তা: এসপি এম এম মাহমুদ হাসান বাংলাদেশ পুলিশের একজন সৎ, চৌকস ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি বর্তমানে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) কনফিডেন্সিয়াল অ্যান্ড এলআইসি শাখায় দায়িত্ব পালন করছেন।

পরিচিত ও পেশাগত বিবরণ

• পদবি: পুলিশ সুপার (এসপি)

• কর্মস্থল: স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), কনফিডেন্সিয়াল অ্যান্ড এলআইসি শাখা, বাংলাদেশ পুলিশ।

• খ্যাতি: তিনি পুলিশ বিভাগে সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবিক কাজের জন্য সমাদৃত।

কর্মস্থলে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় সাধারণ মানুষের কাছেও ছিলেন ভালোবাসার প্রতীক। তাঁর পুরনো কর্মস্থল ঝালকাঠি জেলার প্রতিটি মানুষের চোখে মাহামুদ হাসানের কর্মযজ্ঞ এখনো অবিস্মরণীয় হয়ে আছে। ভালো কাজের জন্য তিনি প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
২৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন শিক্ষক বাবার মেধাধী এ সন্তান।
জানা যায়, ঝালকাঠিতে যোগদান করার পর থেকে তাঁর কঠোরতায় জেলায় মাদকের প্রবণতা হ্রাস পেয়েছিল। চুরি-ডাকাতির ঘটনাও ছিল না। অপরাধ দমনে তিনি কঠোর হলেও অসহায় মানুষের কাছে তিনি বিশ্বস্ত আশ্রয়স্থল ছিলেন।
করোনা পরিস্থিতির সময় অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের সেবায় এগিয়ে এসেছিলেন তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মাহমুদ হাসান। ওই সময়ে বেকার হওয়া দিনমজুর, ভ্যানচালক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ত্রাণসামগ্রী বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিতেন।
যারা একেবারেই কাজ করতে পারতেন না, আবার লজ্জায় কারও কাছে সহযোগিতা চাইতে পারছিলেন না- এমন পরিবারগুলোকে পুলিশের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ায় তাঁর এ উদ্যোগ সর্বস্তরে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অসংখ্য পরিবারের বিরোধ মিটিয়েছেন তিনি। পাওনা টাকা ফেরত, হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার ও ব্যক্তিগতভাবে বেতনের টাকা দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার ফেরিওয়ালা উপাধি পেয়েছিলেন তিনি। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে তিনি সন্ত্রাসী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্পখলা রিস্থিতি স্বাভাবিক করেছিলেন। এর ফলে দলীয় অপরাধও অনেকটা দমন হয়েছিল। ঝালকাঠি থেকে বদলি হয়ে যাওয়ার সময় তাকে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় সাংবাদিকরা শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় দেন। তিনিও অশ্রুসিক্ত বিদায় নেন। এখনো তিনি এ জেলার মানুষের খোঁজখবর নেন। ভালো কাজের জন্য তিনি পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সুপার হয়েছেন। বর্তমানে
তিনি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) কনফিডেন্সিয়াল অ্যান্ড এলআইসি শাখায় বিশেষ পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এসপি এম এম মাহমুদকে হাসানকে নিয়ে একটি কুচক্র মহল ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। পুলিশ বাহিনীর সুনাম ও কাজের মনবল ভেঙে ফেলার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কুচক্র মহল এরকমের অপপ্রচার চালাচ্ছে। কর্মস্থলে থাকাকালে বিএনপি-জামায়াতসহ কোন সাধারণ মানুষ অহেতুক হয়রানি শিকার হয়নি।

Top