বাংলাদেশে সম্প্রতি অব্যাহত ধর্ষণ ও নারীর বিরুদ্ধে সহিসংতায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশালে এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে কোনো গোপন শর্তে নয় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করে পরে ডিসি প... একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল এক হাজার টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২শ,গ্যাস সংকটে হিমশিম চালকরা একযোগে ১২ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন, সংযুক্ত ১ গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য! ১৭ দেশে ২৫ বার ভ্রমণের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী কাজী ফিরোজের বিরুদ্ধে

বাংলাদেশে সম্প্রতি অব্যাহত ধর্ষণ ও নারীর বিরুদ্ধে সহিসংতায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ


আলোকিত বার্তা:বাংলাদেশে সম্প্রতি অব্যাহত ধর্ষণ ও নারীর বিরুদ্ধে সহিসংতায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ।একই সঙ্গে নারীর প্রতি সহিসংতার মামলাগুলোর দ্রুত বিচারে আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো নিজের টুইটার একাউন্টে এ সম্পর্কিত বিবৃতিটি প্রকাশ করেছেন।বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘ বাংলাদেশের নারীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এগুলো গুরুতর অপরাধ এবং মানবাধিকারের মারাত্মক লঙ্ঘন।এতে আরো বলা হয়, নোয়াখালীর ঘটনাটি আবারো প্রমাণ করেছে, এটি কোনো নিছক বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। নোয়াখালীর গৃহবধূকে ধর্ষণ, নির্যাতন ও তার ভিডিও প্রকাশের ঘটনা সামাজিকভাবে নারী বিদ্বেষকে ফুটিয়ে তুলেছে।ন্যায়বিচারের দাবিতে যারা আন্দোলনে নেমেছে, তাদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মিয়া সেপ্পো বলেন, জাতিসংঘ ন্যায়বিচারের দাবিতে সাধারণ জনগণ এবং সুশীল সমাজের পাশে দাঁড়াচ্ছে।আন্দোলনকারীরা বলছেন, দেশে বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, তা ধর্ষণসহ যৌন নিপীড়ণের ঘটনা বাড়িয়ে তুলেছে। অন্যদিকে মন্ত্রীরা বলছেন, যখনই কোনো ঘটনা ঘটছে, সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনছে।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা (জাতিসংঘ) ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সমর্থন ও সুরক্ষা প্রদান এবং বিচারের ক্ষেত্রে দ্রুততা আনায়নে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার জরুরি সংস্কারের পক্ষে।সংস্থাটি বলছে, নারীর ও মেয়েদের সুরক্ষার জন্য অসংখ্য আইন ও কর্মপরিকল্পনা কিভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, সে সম্পর্কে জবাব দেয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সুনিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।এছাড়া বিশ্বজুড়েই ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে উল্লেখ করে তা রুখে দাঁড়াতেও আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

Top