বরিশালে দুই যুগে ও সংস্কার হয়নি একটি শাখা সড়ক
বরিশাল:বরিশালে দুই যুগে ও সংস্কার হয়নি একটি শাখা সড়ক,জনদূভোর্গ চরমে সরকার আসে, সরকার যায়,কাউন্সিলর আসে,কাউন্সিলর যায়
কিন্তু দুই যুগের বেশি অতিবাহীত হলে ও বরিশাল নগরীর তিন নং ওর্য়াডস্থ গাউয়াসার প্রধান সড়কের সাথে থাকাএকটি শাখা সড়ক আব্দুল কাদের লেনটি দুই যুগে ও সংস্কার হয়নি।সরোজমিনে খোজ নিয়ে ভূক্তভোগী বাসিন্ধাদের সাথেআলাপ করে জানা গেছে, সড়কের দুই পাশের বাসিন্ধারনিজেরা জমি দিয়ে রাস্তাটি প্রথম নির্মান করে প্রায়২৫ বছর আগে। মাত্র তিনশত পনের ফিট লম্বা এবং পাশে^ ১০ফুট এই শাখা সড়কটি জন্মলগ্ন থেকেই কাচাঁই পড়েরয়েছে। নিজেদের উদ্যোগে রাস্তাটির দুই পাশে গাইডওয়ালকরে নিজেরা বালু খোয়া ফেলে কোন রকম চলাফেরা করছে।ফলে অএ গলীতে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী পরিবার গুলোকেপোহাতে হচ্ছে চরম দূভোর্গ । তার মধ্যে দুটিমুক্তিযোদ্ধা পরিবার রয়েছে। অন্যদিকে প্রধান সড়ক থেকেরাস্তাটি প্রায় তিন ফুট নিচে হওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেইসড়কটিতে হাটু পানি জমে থাকে । গরেিত একটি
হাফেজি মাদ্রাসা রয়েছে। জলাবদ্ধতায় শিক্ষার্থীরাঠিকমতো স্কুল এবং মাদ্রাসায় যেতে পারে না এবং বয়ষস্করানামাজে যেতে পারে না। নিয়মিত তারা হোল্ডিং টেক্স দিয়েআসলে ও সিটিকর্পোরেশন দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েআসছে বলে জানিয়েছে ভূক্তভোগীরা বাসিন্দারা। দেখার
যেনো কেউ নেই।
অত্র ওর্য়াডের কাউন্সিলর আলহাজ্জ¦ হাবিবুর রহমান ফারুকমৃধা বছরের পর বছর আশ^াস দিয়ে বিগত বছর পাড়করেছেন। বিগত দিনে দল ক্ষমতায় না থাকায় নিজের ব্যর্থতাতুলে ধরেছেন। তিনি বলেন আমার ওর্য়াডের সকল রাস্তার লিষ্টসিটিকর্পোরেশনে দেয়া আছে। অচীরেই হয়ে যাবে
আশা করছি।গত বছর সিটিকর্পোরেশনে এ ব্যাপারে আবেদন করলে ৫আগষ্টের সরকার পতনের পর সেই আবেদনের কোন খোজ
পাওয়া যায়নি। বিসিসি থেকে পূন্যরায় আবেদন করতেবলল্লে পরে চলতি বছরের শুরুতে গত ১৯ ফেব্রæয়ারী আরএকটি আবেদন করা হয় যার ডকেট নাম্বার ১৫৬০ । এতেবিসিসি থেকে ষ্টেমিটর এসে মাপজোপ করে যায়।সড়কটিতে ৭ ফিট সিসি ঢালাই রাস্তা এবং সাথে ৩
ফিট ড্রেন নির্মানের হিসাব দেয়া হয় এবং সে বাবদব্যয় ধরা হয় ৩৫ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭ শত ৪৬ টাকা। দীর্ঘ দিনঅতিবাহীত হলে ও তা এখন অব্দি বাস্তবায়ন হচ্ছে না।যোগাযোগ করলে অর্থ বরাদ্ধ নেই বলে সময়ক্ষেপন করা হচ্ছে
।
গলীর বাসিন্ধা হারুন অর রশিদ বলেন,জন্মলগ্ন থেকেরাস্তাটি কাচাঁ পড়ে আছে। বর্ষা মৌসুমে প্রত্যেকটিবাড়ি জলাবদ্ধতায় আটকে থাকে। আমরা এই দূভোর্গথেকে পরিত্রান চাই।বিসিসির সহকারী একাউন্স অফিসার আখতারুজ্জামানসবুজ জানান, প্রকৌশল শাখা থেকে আমাদের কাছে ফাইল
চাইনি বলে ওভাবেই পড়ে আছে। এখন আমাদের হাতে কিছুনেই।অত্র ওর্য়াডের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশল শাখায়
যোগাযোগ করুন।
বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ হুমায়ুন কবিরেরসাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বলেন,আমার কাছেপেপারস আসলে সাধারনত আমি মার্ক করে দেই। আপনিনির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বাশারের সাথে যোগাযোগকরুন।তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমাদেরউর্ধ্বোতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।বিসিসির নিবার্হী প্রকৌশলী (ক অঞ্চল) মোঃ মকসুমুলহাকিম রেজা বলেন,হয়তো তালিকা তৈরী করা হয়েছে। আমিঅফিসের বাহিরে অবস্থান করছি।তাই বলতে পারছিনা ।বিসিসির প্রধান নিবার্হী প্রকৌশলী মোঃ রেজাউলবারী ঢাকায় অবস্থান করায় তার সাক্ষাতকার নেয়া সম্ভব হয়নি।