কোটা আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের বিচারের দাবিতে শিক্ষকদের সমাবেশ - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পুলিশের শীর্ষ ১০০ কর্মকর্তার মধ্যে একজন নারী মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী যাবে ‘জিরো কস্টে’ একই দিনে দুই প্রধান শক্তির শোডাউন,রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়সূচি প্রকাশ,ভর্তি পরীক্ষা জেনারেটরে পুড়ছে লাভের টাকা, হতাশ ব্যবসায়ীরা,লোডশেডিংয়ে কুয়াকাটার পর্যটনে ধস হ্যাকারের দখলে সরকারি সাইট,নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ডিজিটাল সিস্টেম কৌশলে বাজারে সয়াবিন চিনির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে কোম্পানি গুলো দল পুনর্গঠনে পুরোপুরি মনোযোগ দিচ্ছে বিএনপি দিন যত যাচ্ছে বেরিয়ে আসছে ঋণ জালিয়াতির ঘটনা,রেকর্ড লোকসানে ব্যাংক খাত অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বোমা আতঙ্ক,কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের

কোটা আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের বিচারের দাবিতে শিক্ষকদের সমাবেশ


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া : কোটা সংস্কার আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড, হামলা ও নির্যাতনে দায়ী ব্যক্তিদের বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক।বুধবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ‘নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক সমাবেশ’ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশে সমাপনী বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন। তিনি বলেন, ‘শপথের মর্যাদা আপনারা (সরকার) রক্ষা করেন না। অনুরাগ-বিরাগের বশবর্তী হয়ে একসময় কোটা বাতিল করেন, আবার…। আমরা যারা প্রশ্ন করতে ভুলে গিয়েছি, আমাদের কথা বলার অধিকারের কথা আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে নতুন করে শিখছি।

গীতিআরা নাসরিন বলেন, ‘প্রতিটি হত্যা-নির্যাতনের বিচার করতে হবে। দোষী ব্যক্তিদের যথোপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। আহত ব্যক্তিদের যত দূর সম্ভব ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা থাকলে তাদের শিক্ষার্থীদের পক্ষে কাজ করতে হবে। তা না হলে তারা এখানে থাকতে পারবেন না। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে, কোনো কিছুতে বাধ্য করা যাবে না। সবাই শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকুন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সামিনা লুৎফা বলেন, নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকসমাজের কাছ থেকে তারা সুনির্দিষ্ট কিছু দাবি জানাচ্ছেন। এগুলো হলো হত্যাকাণ্ড, হামলা ও নির্যাতনে দায়ীদের খুঁজে বের করে বিচার করে শাস্তি দিতে হবে; বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যেভাবে সামরিকায়ন হচ্ছে, বিজিবি ঢোকানো হচ্ছে, এগুলো বন্ধ করতে হবে; শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে হবে, ক্যাম্পাসে তাদের নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে; ইউজিসির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে এবং যৌক্তিকভাবে কোটা সংস্কার করতে হবে।

Top