যে আলো ছাড়া তমশাচ্ছন্ন দুনিয়া আলোকিত হতে পারে না - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটি এর প্রকৌশলী মামুন উর রশিদ বরিশালের ‘বিউটি সিনেমা হল’ জমি ঘিরে কোটি টাকার বিরোধ রিকশাচালকের ব্যানারে ‘গুপ্ত’ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ-শ্রমিক লীগ, মজদুর লীগ ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু,নির্দেশিকা উপেক্ষিত সরকারি টানা পাঁচ দিন ছুটি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এখন থেকে লটারির মাধ্যমে বদলি কিংবা পদায়ন করা হবে খেলাপি ঋণ উদ্ধারে পাঁচ বছরের রোডম্যাপ,ব্যাংকিং খাতে মহাসংকট গডফাদাররা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে,দেশজুড়ে বিস্তৃত মাদকের সাম্রাজ্য ছোট ভুলে বড় ক্ষতি বিএনপির,ম্লান হচ্ছে ইতিবাচক উদ্যোগ

যে আলো ছাড়া তমশাচ্ছন্ন দুনিয়া আলোকিত হতে পারে না


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া : পবিত্র কুরআন হলো ঐশী আলো। যে আলো ছাড়া তমশাচ্ছন্ন দুনিয়া আলোকিত হতে পারে না। আর এই কুরআন হিফজ করার মর্যাদাও অনেক বেশি। হাফেজ হওয়ার কারণে তাকে সব সময় কুরআন মাজিদ চর্চা করতে হয়, এতে সে প্রতি হরফে ১০টি নেকি লাভ করে। এভাবে সাধারণ মানুষের নেকি অর্জনের ক্ষেত্রে সে থাকে অগ্রগামী। কিয়ামতের দিনও একজন হাফেজে কুরআন বাড়তি মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হবেন। হজরত আয়েশা রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘কুরআন মাজিদে দক্ষ ব্যক্তি পরকালে সম্মানিত নেককার লিপিকার ফেরেশতাদের সাথে থাকবে। যে ব্যক্তি কষ্ট করে কুরআন পড়ে সে দু’টি পুরস্কার পাবে।’ (বুখারি-৪৯৩৭)কুরআনের হাফেজ আখিরাতে ফেরেশতাদের সাথে অবস্থান করবেন। তিনি যদি জান্নাতবাসী হতে পারেন, তাহলে জান্নাতে প্রবেশের পর কুরআন হিফজের বদৌলতে জান্নাতের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে ওপরের দিকে উঠবেন তার মুখস্থ থাকা শেষ আয়াতটি পড়া পর্যন্ত।

হজরত আলী রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কুরআন মাজিদ তিলাওয়াত ও মুখস্থ রেখেছে এবং এর হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম মেনেছে, তাকে আল্লাহ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন ১০ জন লোক সম্পর্কে তার সুপারিশ কবুল করবেন, যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম আবশ্যক ছিল।’ (তিরমিজি-২৯০৫)

কুরআন তিলাওয়াত মুুমিনের হৃদয় আলোকিত করে। কুরআন তিলাওয়াতের সুর ও শব্দ মুমিনের অন্তরের ভিত কাঁপিয়ে দেয়, যা তিলাওয়াত করলে জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র চোখের সামনে ভেসে ওঠে। কুরআন মাজিদই একমাত্র কিতাব, যা পাঠ করার সাথে সাথে মনে মহান আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয়। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে- ‘মুমিন তো তারাই, আল্লাহর কথা স্মরণ হওয়া মাত্রই যাদের অন্তরসমূহ কেঁপে ওঠে। আর যখন তাদের সামনে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়, তখন তাদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং তারা তাদের রবের ওপরই ভরসা করে।’ (সূরা আনফাল-২)

আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি রহমত প্রদানে ইরশাদ করেন- ‘আর যখন কুরআন মাজিদ পড়া হয়, তখন তা মনোযোগ দিয়ে শোনো এবং চুপ থাকো, যাতে তোমাদের প্রতি রহমত বর্ষিত হয়।’ (সূরা আরাফ-২০৪)

Top