যে আলো ছাড়া তমশাচ্ছন্ন দুনিয়া আলোকিত হতে পারে না - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার, বন্ধুত্বের তিলোত্তমা থেকে বসবাসের অযোগ্য রাজধানী ঢাকা কুয়াকাটার বেড়িবাঁধে ভাঙন ‘বুড়ো’ ইঞ্জিনে ধুঁকছে রেল,জোড়াতালির ট্রেনে গভীর হচ্ছে সংকট মির্জা ফখরুল ও রিজভীকে মূল্যায়ন উজ্জীবিত বিএনপির তৃণমূল শপথ নিলেন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতির মায়ের অস্ত্রোপচার রোববার: সুস্থতা কামনায় সর্বস্তরের দোয়া প্রা... নারী কেলেঙ্কারীর ভয়ে শঙ্কিত মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলন নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

যে আলো ছাড়া তমশাচ্ছন্ন দুনিয়া আলোকিত হতে পারে না


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া : পবিত্র কুরআন হলো ঐশী আলো। যে আলো ছাড়া তমশাচ্ছন্ন দুনিয়া আলোকিত হতে পারে না। আর এই কুরআন হিফজ করার মর্যাদাও অনেক বেশি। হাফেজ হওয়ার কারণে তাকে সব সময় কুরআন মাজিদ চর্চা করতে হয়, এতে সে প্রতি হরফে ১০টি নেকি লাভ করে। এভাবে সাধারণ মানুষের নেকি অর্জনের ক্ষেত্রে সে থাকে অগ্রগামী। কিয়ামতের দিনও একজন হাফেজে কুরআন বাড়তি মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হবেন। হজরত আয়েশা রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘কুরআন মাজিদে দক্ষ ব্যক্তি পরকালে সম্মানিত নেককার লিপিকার ফেরেশতাদের সাথে থাকবে। যে ব্যক্তি কষ্ট করে কুরআন পড়ে সে দু’টি পুরস্কার পাবে।’ (বুখারি-৪৯৩৭)কুরআনের হাফেজ আখিরাতে ফেরেশতাদের সাথে অবস্থান করবেন। তিনি যদি জান্নাতবাসী হতে পারেন, তাহলে জান্নাতে প্রবেশের পর কুরআন হিফজের বদৌলতে জান্নাতের বিভিন্ন স্তর অতিক্রম করে ওপরের দিকে উঠবেন তার মুখস্থ থাকা শেষ আয়াতটি পড়া পর্যন্ত।

হজরত আলী রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কুরআন মাজিদ তিলাওয়াত ও মুখস্থ রেখেছে এবং এর হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম মেনেছে, তাকে আল্লাহ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন ১০ জন লোক সম্পর্কে তার সুপারিশ কবুল করবেন, যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম আবশ্যক ছিল।’ (তিরমিজি-২৯০৫)

কুরআন তিলাওয়াত মুুমিনের হৃদয় আলোকিত করে। কুরআন তিলাওয়াতের সুর ও শব্দ মুমিনের অন্তরের ভিত কাঁপিয়ে দেয়, যা তিলাওয়াত করলে জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র চোখের সামনে ভেসে ওঠে। কুরআন মাজিদই একমাত্র কিতাব, যা পাঠ করার সাথে সাথে মনে মহান আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয়। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে- ‘মুমিন তো তারাই, আল্লাহর কথা স্মরণ হওয়া মাত্রই যাদের অন্তরসমূহ কেঁপে ওঠে। আর যখন তাদের সামনে কুরআন তিলাওয়াত করা হয়, তখন তাদের ঈমান বৃদ্ধি পায় এবং তারা তাদের রবের ওপরই ভরসা করে।’ (সূরা আনফাল-২)

আল্লাহ তায়ালা বান্দার প্রতি রহমত প্রদানে ইরশাদ করেন- ‘আর যখন কুরআন মাজিদ পড়া হয়, তখন তা মনোযোগ দিয়ে শোনো এবং চুপ থাকো, যাতে তোমাদের প্রতি রহমত বর্ষিত হয়।’ (সূরা আরাফ-২০৪)

Top