বিশ্বব্যাংকের ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটি এর প্রকৌশলী মামুন উর রশিদ বরিশালের ‘বিউটি সিনেমা হল’ জমি ঘিরে কোটি টাকার বিরোধ রিকশাচালকের ব্যানারে ‘গুপ্ত’ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ-শ্রমিক লীগ, মজদুর লীগ ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু,নির্দেশিকা উপেক্ষিত সরকারি টানা পাঁচ দিন ছুটি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এখন থেকে লটারির মাধ্যমে বদলি কিংবা পদায়ন করা হবে খেলাপি ঋণ উদ্ধারে পাঁচ বছরের রোডম্যাপ,ব্যাংকিং খাতে মহাসংকট গডফাদাররা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে,দেশজুড়ে বিস্তৃত মাদকের সাম্রাজ্য ছোট ভুলে বড় ক্ষতি বিএনপির,ম্লান হচ্ছে ইতিবাচক উদ্যোগ

বিশ্বব্যাংকের ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া : করোনাভাইরাস সংকট ও ভবিষ্যতে মহামারি মোকাবিলায় প্রস্তুতির জন্য বিশ্বব্যাংকের ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্ট’। এ প্রকল্পের মেয়াদ আরও দুই বছর ছয়মাস বাড়ছে। প্রকল্পের আওতায় দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গ্যাসপ্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে। এ জন্যই মূলত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

প্রকল্পের মোট ব্যয় ছয় হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি কোষাগার থেকে মেটানো হবে ১৭২ কোটি টাকা। বাকি ছয় হাজার ৬১৪ কোটি টাকা বিশ্বব্যাংক ঋণ। এ জন্য প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য বিশ্বব্যাংকের অনুমতি প্রয়োজন। সেই অনুমতি মিলেছে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এরইমধ্যে প্রকল্পের সময় বাড়ানোর প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ গোলাম নবী বলেন, প্রকল্পের আওতায় আমরা তিনটি হাসপাতালে গ্যাসপ্ল্যান্ট স্থাপন করবো। এটা বাস্তবায়ন হলে করোনা সংকটে অক্সিজেনের কোনো সমস্যা হবে না। এজন্য প্রকল্পের মেয়াদ দুই বছর ছয়মাস বৃদ্ধি করতে হবে। আমরা প্রকল্পের সময় বৃদ্ধির জন্য বিশ্বব্যাংকের অনুমতি পেয়েছি।অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, প্রকল্পটির অনুমোদিত মেয়াদকাল ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। হাসপাতালের জন্য ই-জিপি সিস্টেমে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে মেডিকেল যন্ত্রপাতি কেনা হবে।

বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী- প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দরপত্র পদ্ধতি অনুসরণ করে ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সিডি ভ্যাটের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দের সংস্থান পরবর্তী সংশোধিত প্রস্তাবে রাখা হবে। প্রকল্পের অধীনে কেনাকাটাসমূহ বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী বাস্তবায়ন হবে।প্রকল্পের আওতায় ১৯টি মেডিকেল কলেজে অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। চলতি মাসে ই-জিপি (আন্তর্জাতিক দরপত্র পদ্ধতি) দরপত্র আহ্বান করা হবে। অবশিষ্ট আটটি মেডিকেল কলেজের স্থান নির্বাচন ও নকশা প্রণয়ন সমাপ্ত হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে ব্যয় প্রাক্কলনও করা হয়েছে।

Top