রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে ইইউ - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে কোনো গোপন শর্তে নয় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করে পরে ডিসি প... একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল এক হাজার টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২শ,গ্যাস সংকটে হিমশিম চালকরা একযোগে ১২ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন, সংযুক্ত ১ গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য! ১৭ দেশে ২৫ বার ভ্রমণের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী কাজী ফিরোজের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলায় মানামী লঞ্চ মালিক সালামের ১ বছরের কারাদন্ড ও ৬ কোটি টাকা অর্থদন্ড

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে ইইউ


আলোকিত বার্তা:ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল রোহিঙ্গা মানবিক সংকটের একটি স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য বাংলাদেশের প্রতি ইইউ’র অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ব্রাসেলসে ইইউ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নবনিযুক্ত বাংলাদেশ মিশন প্রধান মাহবুব হাসান সালেহ লেটারস অফ ক্রেডেন্স উপস্থাপন কালে তিনি এ কথা বলেন।মিশেল বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত তার আগের সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন।রাষ্ট্রদূত সালেহ রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য জোর পূর্বক বাস্তুুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মধ্যে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আস্থা সৃষ্টির জন্য বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণের উপর জোর দেন।তিনি ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

ইইউ প্রেসিডেন্ট জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের কথা স্বীকার করেন এবং ক্লাইমেট ভালনেরাবল ফোরামের (সিভিএফ) বর্তমান সভাপতিত্বের কথা উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রদূত সালেহ মতবিনিময় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ ও ইইউ-এর মধ্যে একটি নিবেদিত দ্বিপাক্ষিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রচলিত ক্ষেত্রগুলোর বাইরে বাংলাদেশ-ইইউ অংশীদারিত্বের পরিধি সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। প্রেসিডেন্ট মিশেল জলবায়ু পরিবর্তন, মাইগ্রেশন এবং মানবাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরও সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।- বাসস

Top