৩০০ কোটি টাকা সহায়তা দিবে (ইইউ) রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিদ্যুতে সরকারের প্রতি অসন্তুষ্ট ৮৯.৪%,গণভোট বাস্তবায়ন চান ৭০ শতাংশ, ‘সবার জন্য সমান’ নীতি বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ অস্বস্তি ,রাজনীতিতে নানা আলোচনা বরিশালে এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে কোনো গোপন শর্তে নয় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করে পরে ডিসি প... একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল এক হাজার টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২শ,গ্যাস সংকটে হিমশিম চালকরা

৩০০ কোটি টাকা সহায়তা দিবে (ইইউ) রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য


আলোকিত বার্তা:ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মিয়ানমারের রাখাইন থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় বাংলাদেশী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলার জন্য প্রায় ৩০৪ কোটি টাকা দিবে।বৃহস্পতিবার ইইউ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে উদারতার পরিচয় দিয়েছে, সে প্রয়াসে সহায়তা দিতেই এই অর্থ প্রদান করা হচ্ছে।এই অর্থ থেকে ১১৪ কোটি টাকা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় এবং ১৯০ কোটি টাকা স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি, পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতার (হাত ধোয়া) মতো মৌলিক সেবা এবং তাদের সহনশীলতা ও সুরক্ষা জোরদার করতে ব্যয় করা হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ’র রাষ্ট্রদূত রেঞ্জে টিরিংকের উদ্ধৃতি দিতে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রতিবেশী মিয়ানমারের বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের অব্যাহত উদার ও মানবিকতার প্রয়াসে এই ৩২ মিলিয়ন ইউরো’র তহবিলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি আরো বলেন, এ সহায়তা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় টিম ইউরোপের আন্তর্জাতিক প্রয়াসের একটি অংশ।ইইউ অর্থায়ন মূলত বালিকা ও নারীদের সুরক্ষা, যৌন ও লিঙ্গ ভিত্তিক সহিংসতা এবং মানসিক-সামাজিক পরিস্থিতিতে সহায়তামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হবে।এই সহায়তা চলমান কোভিড-১৯ চ্যালেঞ্জ মোকাবলাসহ স্ট্র্যাটেজিক অবজেকটিভ অব দ্য ইউএন জয়েন্ট রেসপন্স প্লান ২০২০ এর সাথে সঙ্গতি রেখে ২০৩০ এজেন্ডার আহ্বান ‘কাউকে পিছনে ফেলে যাবেন না’ অর্জনে অবদান রাখবে। ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফ ও ইউএনওপিএস এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

Top