নির্বাচনে যা কিছুই হোক,যত গালিগালাজ ও সমালোচনা পাঁচ নির্বাচন কমিশনারের ওপর - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা

নির্বাচনে যা কিছুই হোক,যত গালিগালাজ ও সমালোচনা পাঁচ নির্বাচন কমিশনারের ওপর


আলোকিত বার্তা:নির্বাচনে যা কিছুই হোক,যত গালিগালাজ ও সমালোচনা পাঁচ নির্বাচন কমিশনারের ওপর বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো.রফিকুল ইসলাম।তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন এমন একটা জিনিস যে, পত্রপত্রিকা দেখলে মনে হবে, সব শুধুমাত্র পাঁচজন নির্বাচন কমিশনার করেন। তাই মানুষের পক্ষ থেকে যত গালিগালাজ, সমালোচনা আছে, সবকিছু এই পাঁচজন ব্যক্তির ওপর।রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে বৈঠক বসে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে নির্দেশনামূলক মন্তব্য করার সময় তিনি এসব কথা বলেন। ইসির পাঁচ কমিশনার হলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা, কমিশনার মাহবুব তালুকদার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, মো. রফিকুল ইসলাম ও কবিতা খানম।রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করার পর থেকে আসল দায়িত্বটা পালন করেন আপনারা (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী)। আচরণবিধি বাস্তবায়নের কাজটাও আপনারাই করেন। আপনাদের ব্যর্থতাই আমাদের ব্যর্থতা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবরা আচরণ বিধিমালাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আইনের দিকটা বাস্তবায়ন করেন। আপনাদের ব্যর্থতা সম্পূর্ণভাবে আমাদের ওপর দিয়ে যায়। কমিশনকেই অভিযুক্ত করা হয়। আপনাদের সাহায্য-সহযোগিতা ছাড়া আইনানুগ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব না।’

তিনি বলেন, ‘আচরণ বিধিমালা প্রয়োগ করার জন্য শাস্তি, জরিমানা করার চাইতে প্রিভেন্টিভ মেজারটা (প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা) নেন।’ অর্থাৎ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তা যদি একটু এক সঙ্গে মুভ (চলেন) করেন, তাইলেই আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি থাকবে না বলেও মনে করেন এ কমিশনার।রফিকুল ইসলাম বলেন,এতে নির্বাচনে আচরণবিধির ভঙ্গের পরিমাণ অনেকখানি কমে যাবে। শুধু এ জন্য আপনাদের কাছে চাই আন্তরিকতা, আপনাদের ভিজিল্যান্স (দৃশ্যমান)। দেখতেছে কেউ একজন, এই বিষয়টা প্রার্থীদের মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে পারলে অনেক সমস্যা কমে যাবে। অবস্থান দৃশ্যমান করতে পারলে ৫০ শতাংশ আচরণবিধি প্রতিপালনের কাজ হয়ে যাবে। তারপরও কিছু লোক আচরণবিধি ভঙ্গ করবে। আর তাদেরকে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা দিয়েই শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।এ কমিশনার বলেন,আমরা যখন আইন করি,তখন একটা আদর্শ, পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে আইনের খসড়া তৈরি করি। কিন্তু বাংলাদেশের সব জায়গায় সবসময় আইনের পরিবেশ থাকবে, এটা আপনারা বিশ্বাস করেন? আমি বিশ্বাস করি, আইনের সিচুয়েশন (পরিবেশ) সব জায়গায় সমান পাওয়া যাবে না।’ এসব ক্ষেত্রে জুডিশিয়াল মাইন্ড (বিচারিক মানসিকতা) প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

Top