বিদ্যুৎসংকট মোকাবিলায় দেশজুড়ে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত
মু এবি সিদ্দীক ভুঁইয়া :ফের লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে যাচ্ছে দেশ। বিদ্যুৎসংকট মোকাবিলায় দেশজুড়ে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ থেকে কার্যকর হবে এই সিদ্ধান্ত। এ লোডশেডিং হতে পারে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত। তবে লোডশেডিং কখন কোন এলাকায় হবে, তা আগেই সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া এখন থেকে সপ্তাহে একদিন বন্ধ থাকবে পেট্রোল পাম্প। খরচ সাশ্রয়ের জন্য ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। সোমবার এ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জ্বালানিবিষয়ক এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বিকালে সংবাদ সম্মেলনও করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।তৌফিক-ই-ইলাহী বলেন, ‘পরীক্ষামূলকভাবে সাময়িক এই লোডশেডিং হবে। আগেই সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।তবে লোডশেডিং কোথাও টানা দুই ঘণ্টা করা হবে না বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আধঘণ্টা করে সব মিলিয়ে এক থেকে দুই ঘণ্টা লোডশেডিং হতে পারে।এর আগে চলতি মাসের প্রথমদিকে হঠাৎ দেশব্যাপী তীব্র লোডশেডিং শুরু হয়েছিল। দিনে ৩/৪ ঘণ্টা, কোথাও আরও বেশি লোডশেডিং করা হয়েছিল। ওই সময় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, গ্যাসসংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালানো যাচ্ছে না বলে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখতে হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে গ্যাসের জোগান বৃদ্ধি পেলে লোডশেডিংয়ের তীব্রতাও কমে আসে। কুরবানির সময় দেশে লোডশেডিং ছিল কিছুটা সহনীয়। কিন্তু সোমবার জানানো হয়, এবার জ্বালানি তেল বিশেষ করে ডিজেলসংকটের কারণে এ সংক্রান্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখতে হবে। তাতে ফের লোডশেডিং করতে হবে সারা দেশে।বৈঠকে তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, খরচ কমাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সোমবার থেকে সাময়িক বন্ধ থাকবে। এ সিদ্ধান্ত সাময়িক। বিশ্ব পরিস্থিতির উত্তরণ হলে আগের অবস্থানে ফিরে আসা হবে।জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, ‘পৃথিবীতে একটা যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ইউক্রেনের যে যুদ্ধ, সে যুদ্ধ কিন্তু আমাদেরও যুদ্ধ। ওই যুদ্ধের প্রভাব পড়ছে আমাদের ওপর।’ তিনি আরও বলেন, ‘যাদের অর্থের অভাব নেই, তারাও কিন্তু লোডশেডিং করছে। যুক্তরাজ্যে হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ায় হচ্ছে। উৎপাদনকে কমিয়ে খরচ যাতে সহনশীল হয়, সে পর্যায়ে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। ডিজেলের বিদ্যুৎ উৎপাদন আপাতত স্থগিত করলাম, তাতে অনেক টাকা সাশ্রয় হবে। মনে রাখতে হবে, ডিজেলের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে।তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের ধারণা, এক থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি হবে। এতে দিনে এক থেকে দেড় ঘণ্টা এবং কোনো কোনো জায়গায় দুই ঘণ্টাও লোডশেডিং হতে পারে। কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এবং পৃথিবীর এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে যাতে খরচ কম হয়, সেই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাতে আমরা সহনশীল হতে পারি, সেই পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে। ডিজেল পুড়িয়ে আপাতত বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করেছি। এতে অনেক টাকা সাশ্রয় হবে। মনে রাখতে হবে, ডিজেলের দাম বর্তমানে আকাশচুম্বী। ডিজেল ছাড়া আমাদের অন্যান্য যে বিদ্যুতের ব্যয় আছে, তা কমিয়ে আনতে হবে।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘কোন এলাকায় বিদ্যুতের লোডশেডিং হবে, তা আগে থেকে গ্রাহককে জানিয়ে দেওয়া হবে। আমরা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছি শিল্প খাতকে।’ এক ঘণ্টায় যদি বিদ্যুতের ঘাটতি মোকাবিলা করা সম্ভব না হয়, তাহলে দুই ঘণ্টা করে লোডশেডিং বাস্তবায়ন করা হবে। তাতেও ঠিক না হলে পরে পরিস্থিতি বুঝে ভিন্নরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে একদিন পেট্রোল পাম্প বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কীভাবে, কোন পদ্ধতিতে বন্ধ রাখা হবে, সেটা পরে জানানো হবে। বন্দর এলাকায় সপ্তাহে দুই দিন পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে বলেও জানান নসরুল হামিদ।সভায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি-বেসরকারি অফিস/সভা ভার্চুয়ালি করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকারি অফিসগুলোয় কীভাবে সময় কমিয়ে আনা যায়, সেটাও ভাবা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস। বৈঠকে জানানো হয়, সরকারি অফিসগুলো ভার্চুয়ালি পরিচালনার বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সমন্বয় করবে।
সরকারি অফিসে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের চিন্তা করছে সরকার। তা কর্মঘণ্টা কমানোর মাধ্যমে হবে নাকি যেসব অফিসার বাসা থেকে কাজ করলেও চলে, তাদের হোম অফিস করতে বলা হবে-এ বিষয় চিন্তা চলছে। এখনো এ বিষয়ে কোনো নীতিনির্ধারণী বৈঠক বা সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে এটা এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।সোমবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, অফিসের সময় কমানো হতে পারে। অথবা হতে পারে ওয়ার্ক ফ্রম হোম (বাসা থেকে অফিস)। অফিসে যতটুকু না করলেই নয়-এমনভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়টি চিন্তা করছি। সপ্তাহখানেকের মধ্যে (এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত) জানাব। মানুষের কষ্ট যাতে না হয়, তা বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। তিনি বলেন, কেউ বলছে অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা বা ৪টা পর্যন্ত করতে। তবে এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি এক দিন বাড়িয়ে দুই দিন করা যায় কি না, চিন্তাভাবনা চলছে। ফরহাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। যেটা করলে ভালো হয়, সেটাই হবে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সিদ্ধান্ত নেব। সব বিষয় বিশ্লেষণ করে সঠিক কাজটি করার চেষ্টা করব।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব কেএম আলী আজম সোমবার বিকালে বলেন, মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমার কারও সঙ্গে কথা হয়নি।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জ্বালানিবিষয়ক বৈঠকের পর বিকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের ওই বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন।বৈঠকে উপস্থিত বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, লোডশেডিং কোথাও টানা দুই ঘণ্টা করা হবে না। দিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আধঘণ্টা করে সব মিলিয়ে দুই ঘণ্টা করা হতে পারে। শহরের তুলনায় গ্রামে বেশি লোডশেডিং করা হবে। অর্থাৎ ৩৩ কেভি ফিডারে লোডশেডিং কম হবে। বেশি লোডশেডিং হবে ১১ কেভি ফিডারে। আর গ্রামাঞ্চলে সবই ১১ কেভি ফিডার।কোথায় কখন লোডশেডিং হবে, এ তথ্য কীভাবে জানা যাবে, জানতে চাইলে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বিকাশ দেওয়ান বলেন, ‘এলাকাভিত্তিক সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের তালিকা করে ওয়েবসাইটে আপলোড করে দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকরা ওয়েবসাইটে গেলেই সেখানে একটি লিঙ্ক পাবেন, সেখানে ক্লিক করে তাদের এলাকার সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের সময় জানতে পারবেন।’ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের বৈঠকে দেশের সব বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিকে এ ধরনের তালিকা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। গ্রাহকরা এ তথ্য কীভাবে পাবেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শিগগিরই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওয়েবসাইট ও লিঙ্ক প্রকাশ করা হবে। পরে দুপুর দেড়টার দিকে ডিপিডিসির ওয়েবসাইটে গিয়ে এ সংক্রান্ত একটি লিঙ্ক পাওয়া যায়। বিভিন্ন বিদ্যুৎ কোম্পানির ওয়েবসাইটে দেওয়া এমন লিঙ্কেই লোডশেডিংয়ের তথ্য পাওয়া যাবে।
জানা গেছে, দেশে বর্তমানে ডিজেলচালিত ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এগুলোর উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২৯০ মেগাওয়াট। এগুলো সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্র। এসব কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে খরচ হয় ৪০ থেকে ৫৩ টাকা। অথচ গড়ে প্রতি ইউনিট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হচ্ছে মাত্র ১৫ পয়সা। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসে (এলএনজি) বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হয় ১০ টাকা। বড়পুকুরিয়ার কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হয় ৪ টাকা। প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ আমদানিতে ব্যয় ৬ টাকা, সোলারে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হয় ১২ টাকা। ফার্নেস অয়েলে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হয় ১২ টাকা।
পিডিবি সূত্রে জানা যায়, আইপিপি (ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট) নামের এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সবসময় চালানো হয় না। মূলত পিক আওয়ারে যখন বিদ্যুতের চাহিদা ১৪শ মেগাওয়াটের ওপরে থাকে, তখন এসব কেন্দ্র চালাতে হয়। তাছাড়া চলতি মাসের প্রথমদিকে যখন দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বন্ধ ছিল, তখন সার্বক্ষণিকভাবে এই ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালানো শুরু হয়। এতে প্রতিদিন সরকারের লোকসান হচ্ছিল ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা। কারণ ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালানোর জন্য উচ্চমূল্যে বিদেশ থেকে তেল কিনে আনছে বিপিসি।পিডিবি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ১৫২টি। উৎপাদন সক্ষমতা ২২ হাজার ৩৪৮ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১০টি ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ২৯০ মেগাওয়াট, যা মোট উৎপাদনের ৬ শতাংশ।পিডিবির পরিচালক (জনসংযোগ) সাইফুল হাসান চৌধুরী বলেন, আমাদের কাছে সর্বশেষ যে চিত্র আছে তাতে দেখা যায়, ডিজেল পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় সব থেকে বেশি, ডিজেল পুড়িয়ে এক ইউনিট বিদ্যুৎ পেতে খরচ হয় ২২ টাকা। অন্যদিকে সব থেকে কম খরচ পড়ে জলবিদ্যুতে মাত্র ১৫ পয়সা।
দেশে ডিজেলের চাহিদা ৪৬ লাখ মেট্রিক টন : দেশে বর্তমানে ডিজেলের চাহিদা ৪৬ লাখ মেট্রিক টন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। বৈশ্বিক বাজারে বর্তমানে প্রতি ব্যারেল ডিজেলের মূল্য ১৪১ ডলার। প্রতি ডলার সমান ৯০ টাকা হলে এক ব্যারেলের দাম পড়ে ১২ হাজার ৬৯০ টাকা। এক ব্যারেলে ডিজেল ধারণক্ষমতা ১৫৯ লিটার। ফলে এক লিটারের দাম পড়ে প্রায় ৮০ টাকা। বছরে ডিজেলের চাহিদা ৪৬ লাখ মেট্রিক টন। অন্যদিকে ১০টি ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রে ডিজেলের চাহিদা ২ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন। ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে দেশে প্রতি লিটার ডিজেল ৮০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।