ছাত্রদের প্রতি সংহতি শিল্পীদের - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া ঘাটের পর্যটন ব্যবসায় ধস, বিপাকে শত শত পরিবার এক বছরে দুই বার বদলি! বিআরটিসির সৎ কর্মকর্তাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে একটি চক্র রাষ্ট্রপতির মন্তব্যে হেফাজতের তীব্র প্রতিবাদ সকল ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান পূজা ও সরকারি ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের লম্বা ছুটিতে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ৯ মাসে নিহত ৪০ স্বৈরাচার ফেরার পথ খুলে দেওয়া হবে শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি ইশরাকের নাটকীয় পদত্যাগ,রাতে গুজব দাবি, দিনে সত্যতা স্বীকার প্রতিমন্ত্রীর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিএনপি শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়

ছাত্রদের প্রতি সংহতি শিল্পীদের


আলোকিত বার্তা:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন কণ্ঠশিল্পী, ব্যান্ডদল ও গীতিকার-সুরকাররা। আজ (৩ আগস্ট) শনিবার বিকেল ৩টায় তারা জড়ো হন ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে। এ সময় তাদের হাতে ছিল বাংলা গানের চরণ লেখা ফেস্টুন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষের মুখে মুখে সেসব গানের চরণ শোনা যায়। শিল্পীরা র‍্যাপার হান্নানের মুক্তিসহ শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী সুজিত মোস্তফা, আসিফ আকবর, ব্যান্ড তারকা মাকসুদ, পার্থ বড়ুয়া, হামিন আহমেদ, টিপু, শিল্পী এলিটা করিম, শওকত আলী ইমন, জয় শাহরিয়ার, মুহিন, সুরকার প্রিন্স মাহমুদ, গীতিকবি লতিফুল ইসলাম শিবলী প্রমুখ। মাইলস, সোলস, শিরোনামহীন, ওয়ারফেজ, আর্টসেল, অ্যাশেজ, ক্রিপটিক ফেট, সোনার বাংলা সার্কাস ব্যান্ডের সদস্যদেরও এতে দেখা যায়। ক্রিপটিক ফেইট ব্যান্ডের ভোকাল শাকিব চৌধুরী বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই আমরা ছাত্রদের দাবির সঙ্গে আছি। আমাদের বন্দুক দিয়ে আমাদের ছাত্র, আমাদের জনতা মারা হচ্ছে, এমনটা হয়েছিল ৫২, ৬৯-এ। ৭১ সালে পাকিস্তানিরা মেরেছে। এখন ভিডিওতে দেখা গেছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা হচ্ছে। এখানে কি গৃহযুদ্ধ হচ্ছে? আমরা কি শত্রু? ছাত্ররা কি শত্রু?মাকসুদ বলেন, ‘আমরা র‍্যাপার হান্নানের মুক্তি চাই।

ছাত্রদের এত রক্ত ঝরেছে এর বিচার চাই। এত রক্ত কেন ঝরবে? এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতায় অনেক মানুষ মারা গেছে। তাদের হত্যার বিচার চাই।’ প্রিন্স মাহমুদ বলেন, ‘র‍্যাপার হান্নানের মুক্তি চাই। যত জলদি সম্ভব তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। অনেকেই বলছেন এত পরে আমরা কেন এখানে এসেছি। প্রথম থেকে ছাত্রদের দাবির প্রতি আমাদের সমর্থন ছিল আমাদের। আমরা রাতে ঘুমাতে পারি না। আমরা এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’ আসিফ আকবর বলেন, ‘কোটার অধিকার চাইতে গিয়ে আমাদের সন্তানদের কেন গুলিবিদ্ধ হতে হবে? তাদের রাজপথে হত্যা করা হয়েছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা হয়েছে। এইসব হত্যার বিচার যতক্ষণ না পাব, আমরা আমাদের এই সন্তানদের সঙ্গে আছি।সেখানকার সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তাদের বেশির ভাগই গিয়ে যোগ দেন শহীদ মিনারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে।

Top