এক বছরে দুই বার বদলি! বিআরটিসির সৎ কর্মকর্তাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে একটি চক্র - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ২০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া ঘাটের পর্যটন ব্যবসায় ধস, বিপাকে শত শত পরিবার এক বছরে দুই বার বদলি! বিআরটিসির সৎ কর্মকর্তাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে একটি চক্র রাষ্ট্রপতির মন্তব্যে হেফাজতের তীব্র প্রতিবাদ সকল ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান পূজা ও সরকারি ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের লম্বা ছুটিতে বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ৯ মাসে নিহত ৪০ স্বৈরাচার ফেরার পথ খুলে দেওয়া হবে শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি ইশরাকের নাটকীয় পদত্যাগ,রাতে গুজব দাবি, দিনে সত্যতা স্বীকার প্রতিমন্ত্রীর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে বিএনপি শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়

এক বছরে দুই বার বদলি! বিআরটিসির সৎ কর্মকর্তাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে একটি চক্র


এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া :বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কর্মকর্তা মো. জামিল হোসেনের সততার কারণে এক বছরে দুই বার বদলি।
বিআরটিসির সৎ কর্মকর্তাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে একটি চক্র দাবি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারিদের।

বিআরটিসির একাধিক সূত্র, ভুক্তভোগী পক্ষ এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই কর্মকর্তাকে দুটি স্থানে বদলির ঘটনা ঘটেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, টুঙ্গিপাড়া ট্রাক ডিপোতে বদলি হন। সেখানে সততার সাথেই দায়িত্ব পালল করে আসছেন। চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো দুর্নীতির চরমপন্থায় পৌঁছে গেলে সেই সততা দিয়ে বিআরটিসির মুখ উজ্জ্বল কারি সৎ কর্মকর্তার ডাক পরে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে। সেখানে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন ওতপ্রোতভাবে জড়িত দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের রোষানলে পরতে হয়েছে এই সৎ কর্মকর্তাকে।দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা তার বিরুদ্ধে মনগড়া কাল্পনিক তথ্য দিয়ে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে বিভিন্ন সংবাদ পরিবেশন করেছেন দুর্নীতিবাজ অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে জালিল হোসেনের যোগদানের সাথে সাথেই পাল্টে যায় চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো। সততা দিয়ে নতুন করে সাজাতে ব‍্যস্ত তার কর্মস্থল। তার কাজের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো দুর্নীতির খোলস থেকে মুক্তি পাচ্ছে বলে মত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, চালক, কর্মচারিদের।

বিআরটিসির অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্রের ভাষ্য,বিআরটিসির ভিতরে যে কয় জন সৎ অফিসার রয়েছে তার মধ্যে জামিল হোসেন এক জন। বিআরটিসিকে যে ব‍্যক্তি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান থেকে লাভ জনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছেন সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম।তাকেই সততা দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন এই জামিল । তাই সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম সবার কাছে সৎ অফিসার হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিতেন। এটা দেখে অনেকের মধ্যে হিংসা হয়। পতিত আওয়ামী লীগের শাসন আমলে সব স্থানে কম বেশি দুর্নীতির আচর পরলেও বিআরটিসি সাবেক চেয়ারম্যান তাজুল ইসলামের সময় ছিলো ব‍্যতিক্রম। বিভিন্ন ডিপোর ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময় কখনো বদলি-বাণিজ্য করার অভিযোগ নেই জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোর ম্যানেজার মো. জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

ঘটনাটির সারসংক্ষেপ:

• অভিযোগের নেপথ্য: বিআরটিসির চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোর ম্যানেজার মো. জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে ভুয়া সনদে চাকরি গ্রহণ, বদলি বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের মতো কিছু অভিযোগ ছড়ানো হয়।

• জামিল হোসেনের দাবি: জামিল হোসেন এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, চাকরি নেওয়ার সময়কার সব শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাগজপত্র বৈধ রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তিনি তা তদন্তকারী সংস্থার কাছে দেখাতে প্রস্তুত (তিনি তাঁর এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর ৩৫৭২৮৩ ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৪২৯৩৩১ উল্লেখ করেছেন)।

• চাঁদাবাজির অভিযোগ: তাঁর দাবি অনুযায়ী, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী কিছু ব্যক্তি যাচাই-বাছাই ছাড়া অপপ্রচার চালিয়ে তাঁর মুটোফোনে সংবাদ পাঠিয়ে অর্থ দাবি করছেন।

• আইনগত পদক্ষেপ: তাঁর সম্মানহানি ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

বিআরটিসির সদ‍্য বিদায়ী আব্দুল লতিফ মোল্লার সময় বিআরটিসির অভ্যন্তরে নতুন করে তীব্র ক্ষোভ ও নানান প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল। সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরে ছিলো বলে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে প্রকাশ হয়। আর সেই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সৎ অফিসার জামিল হোসেন কথা বলেই বরিশাল ডিপো থেকে টুঙ্গিপাড়া ডিপোতে শাস্তিমূলক বদলির ব্যবস্থার করেন তখন কার সংস্থাটির কতৃপক্ষ। পরে বতর্মান সরকার বিভিন্ন সুত্রে জানতে পারে যে এক জন সৎ অফিসারের বিরুদ্ধে অন‍্যায় করা হয়েছে শুনে বতর্মান সরকারের হস্তক্ষেপে চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপোতে তাকে বদলি করা হয়।

বিআরটিসির এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে বলেন জামিল হোসেন এক জন সৎ অফিসার সততার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিক্ষায় পরতে হয়ে আর সঠিক সিদ্ধান্তের কারনেই সফলতা পেয়ে ভালো মানুষের দুষ্ট লোক শত্রু থাকবে এটাই সাভাবিক।

বিআরটিসির চালক নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে বলেন, যে কয় জন ডিপোর ম্যানেজারে সাথে কাজ করেছি তার মধ্যে জামিল হোসেন স‍্যার অন্যতম। তিনি সত্যি কারেরই এক জন ভালো মানুষ সৎ অফিসার। সততার জন্য দোয়া করি মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত এমন জানি থাকতে পারে। এমন ম্যানেজার আমাদের গর্বের।

তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কর্মকর্তা মো.জামিল হোসেনেন বলেন আমার দায়িত্ব বা কাজ হল একটি এবাদত। তাই যখনই আমাকে যেখানেই দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করেছি। অনেক সময় বিভিন্ন মিথ্যা মনগড়া তথ্য পরিবেশন করেছেন তা নিয়ে আমি কখনো ভাবিনি আমার কাজ আমি করে যাচ্ছি তাই মহান মালিক আমার সহয় হয়েছেন।

Top