সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি আমরা লালন করি - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় সতর্ক অবস্থানে পুলিশ তীরে এসে তরি ডুবলো বাংলাদেশ! অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজ হারও বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী আইনে কোনো সংসদ সদস্যকে ঋণখেলাপি বলা যাবে না নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ বাংলাদেশিদের টাকার পাহাড় সুইস ব্যাংকে প্রাণঘাতীর পরিবর্তে ‘নন-লিথাল’ অস্ত্র ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএসএফ খালেদা জিয়া দেশের জনগণকে রেখে কোথাও যাননি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের সুবর্ণ সুযোগ,গৃহঋণ সহজীকরণে কর্মসংস্থান বাড়বে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ,স্বামীকে বেঁধে নারীকে তুলে নিয়েও ধর্ষণ

সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি আমরা লালন করি


মোহাম্মাদ:আবুবকর সিদ্দীক:তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন,সরকার ভুল করলে,দায়িত্বশীলরা ভুল করলে অবশ্যই সেগুলো সংবাদপত্রে আসবে। প্রধানমন্ত্রী সমালোচনায় বিশ্বাসী। সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি আমরা লালন করি, প্রধানমন্ত্রী লালন করেন।আজকের বিজনেস বাংলাদেশের ৫ম বর্ষে পদার্পণ এবং ডেইলি বাংলাদেশ আপডেটের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বুধবার এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংবাদপত্রের বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, টেলিভিশনের পাশাপাশি আমরা সংবাদপত্রেও শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করছি। অনেক পত্রিকা আছে হঠাৎ বের হয়; হঠাৎ বৃষ্টির মতো। ইতিমধ্যে এমন ২১০টি সংবাদপত্রের ডিক্লারেশন বাতিল করার জন্য জেলা প্রশাসকদের বলে দিয়েছি। আরও প্রায় ২শ পত্রিকা আছে যেগুলো বের হয় না। এগুলোর বিষয়েও আমরা শিগগিরই আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি। তিনি বলেন,গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে। গত সাড়ে ১২ বছরে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ ঘটেছে।রেকর্ডসংখ্যক সংবাদপত্র, টিভিচ্যানেল ও অনলাইনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে।টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন টেলিভিশন চ্যানেলের ক্রম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। আগে এখানে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ছিল। এছাড়া আগে বাংলাদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন বিদেশি চ্যানেলে প্রচারিত হতো। এতে দেশীয় চ্যানেলগুলো বঞ্চিত হতো। পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব হারাত। টেলিভশনে ক্লিনফিড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সব দেশেই ক্লিনফিড আছে। কিন্তু আমাদের দেশে আগে থেকেই আইন থাকলেও ক্লিনফিড মানা হতো না। আমরা কঠোরভাবে ক্লিনফিড বাস্তবায়ন করছি। গণমাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের বিকাশ রাষ্ট্রের বিকাশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একটি রাষ্ট্রে যদি বহুমাত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করতে হয় তাহলে গণমাধ্যমের বিকাশ আবশ্যক। গণমাধ্যমের বিকাশ ছাড়া রাষ্ট্রের বিকাশ সম্ভব নয়। একটি মুক্ত গণমাধ্যম গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত।আজকের বিজনেস বাংলাদেশ ও ডেইলি বাংলাদেশ আপডেটের সম্পাদক মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম খান এমপি, অতিরিক্ত সচিব মেজবাহ উদ্দিন, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, সময়ের আলোর নির্বাহী সম্পাদক হারুন উর রশীদ, ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপু সারোয়ার ছাড়াও নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম, আবু সালেক মো. সেলিম রেজা সৌরভসহ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা। অনুষ্ঠানে গণ্যমান্য অতিথিদের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মো. মেহেদী হাসানের সম্পাদনায় ‘উন্নয়ন সমৃদ্ধির প্রতিদিন’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে বাংলা দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ। আজকের বিজনেস বাংলাদেশ মূলত অর্থনীতির কাগজ হিসেবে রাষ্ট্রের অর্থ-বাজার-বাণিজ্য, সম-সাময়িক বাংলাদেশ এবং বিশ্বকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।অন্যদিকে একই হাউস থেকে ডেইলি বাংলাদেশ আপডেট নামে নতুন একটি ইংরেজি দৈনিক যাত্রা শুরু করল।

Top