করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বরিশাল বিভাগে এক হাজার ৫১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা দুই মেট্রোরেল পাচ্ছে ৫৮ হাজার কোটি টাকা ৪৯তম বিসিএস বাদ পড়া ৪৬ জনের নিয়োগ সোমবার দলে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার কঠোর অবস্থান বিএনপির নানিয়ারচরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভা: মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স ঘোষণা বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় আওয়ামী লীগের পেতাত্মা বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে দুই সাংবাদিকের ওপর হাম... এক পুলিশ কর্মকর্তা! পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা পাল্টে দিচ্ছে হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বরিশাল বিভাগে এক হাজার ৫১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।


আলোকিত বার্তা:করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বরিশাল বিভাগে এক হাজার ৫১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছে। যা আগের ২৪ ঘণ্টার থেকে প্রায় দ্বিগুণ। আগের ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে ২৮১ জনকে আনা হয়েছিল।রোববার (২২ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস এ তথ্য জানিয়েছেন।বিভাগের ছয় জেলার হিসাব অনুযায়ী, বরিশালে নতুন ১৩৫ জনসহ ৩৫৬ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ১০৩ জনসহ ২৮২ জন, ভোলায় নতুন ৪৭ জনসহ ২৪৮ জন, পিরোজপুরে নতুন ৬৫ জনসহ ২৪৯ জন, বরগুনায় নতুন ৩৪ জনসহ ২২০ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ২৪ জনসহ ১৪৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় নতুন তিনজনসহ ১০ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

বাসুদেব কুমার জানান, কোয়ারেন্টিনে থাকা ১৫১০ জনের অধিকাংশই প্রবাসী। এছাড়া বরগুনা জেলায় একজন আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দু’জন রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে বরিশাল বিভাগে এখন পর্যন্ত কারো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।এদিকে বিভাগে গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন শেষ করেছেন ১৫০ জন এবং গত ২৪ ঘণ্টা শেষ করেছেন ৭৫ জন। কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পাওয়াদের মধ্যে বরিশালে ৩৩ জন, পটুয়াখালীতে ৩৪ জন, পিরোজপুরে ১৫ জন, বরগুনায় ৪০ জন ও ঝালকাঠিতে ২৮ জন রয়েছে।স্বাস্থ্য পরিচালক বলেন, কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনদের পর্যবেক্ষণ করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্যকর্মী। পাশাপাশি এদের সবাইকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার কাজে জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহায়তা করছে। আমরা ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায়ে আমাদের সার্সিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আর সেবক-সেবিকা, চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তায় পারসোনাল প্রটেকশন সরঞ্জাম এরইমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্টদের শঙ্কার কোনো কারণ নেই।তিনি জানান, সর্দি-কাশি ও জ্বরের রোগীকে দেখার জন্য আলাদা ব্যবস্থা হাসপাতালগুলোতে করা হয়েছে। টিকিট কাউন্টারে গেলেই এ বিষয়ে তথ্য জানা যাবে।

Top