বরিশালে ৩০ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পাখি আক্তার:বরিশালে ৩০ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।শনিবার(২১ মার্চ)বরিশাল নগর ও জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এসব অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও),সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ১২টি টিম।বরিশাল নগরের বিভিন্ন এলাকায় জেলা প্রশাসের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মাস্কের দাম বেশি রাখার প্রমাণ পাওয়ায় তিনটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অপরদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.সাইফুল ইসলাম পরিচালিত অভিযানে পণ্যের মূল্য বেশি রাখা ও মূল্য তালিকা না রাখায় তিনটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী রওশন ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পয়সার হাট ও বাগধা বাজার এলাকায় তিন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ৪হাজার ২শ টাকা জরিমানা করা হয়।বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আবদুল্লাহ সাদীদের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মাস্ক ও স্যানিটাইজারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ৬টি দোকানকে ৩হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।গৌরনদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) গৌরনদী ফারিহা তানজিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মাহিলাড়া,বাটাজোর ও গৌরনদী বন্দর বাজার এলাকার ৮ জন আড়তদারকে ১ লাখ ৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।বাবুগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার(ভূমি)বাবুগঞ্জ নুসরাত জাহানের নেতৃত্বে মাধবপাশা বাজারে অভিযান চালিয়ে ২ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আমিনুল ইসলামের নেৃত্বত্বে কাউরিয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে ৫ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারীদের ২ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে জরিমানা করার পাশাপাশি তাদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এমন অপরাধ পরিহার করার জন্য পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত গণসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান জানান,বরিশাল জেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা অমান্যকারী প্রবাসী ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এবং করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে মাস্ক,স্যানিটাইজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত আছে।