করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বরিশাল বিভাগে ৭৬৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় আওয়ামী লীগের পেতাত্মা বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে দুই সাংবাদিকের ওপর হাম... এক পুলিশ কর্মকর্তা! পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা পাল্টে দিচ্ছে হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে দুদকে অভিয... বরিশালে ডাঃ তহুরার হাতে বলি হলো উদীয়মান উদ্যোক্তা নাজিয়া মাইশা পে ফিক্সেশনের পর তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ চাপের আহ্বান বাংলাদেশের ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বরিশাল বিভাগে ৭৬৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।


রফিকুল ইসলাম:করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বরিশাল বিভাগে ৭৬৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৩৬২ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছে। যা আগের ২৪ ঘণ্টার প্রায় দ্বিগুণ। আগের ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে ২১৩ জনকে আনা হয়েছিল।শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস এ তথ্য জানিয়েছেন।বিভাগের ছয় জেলার হিসাব অনুযায়ী, বরিশালে নতুন ৬৩ জনসহ ১৪৫ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ৩৮ জনসহ ৭৭ জন, ভোলায় নতুন ১৩১ জনসহ ১৮০ জন, পিরোজপুরে নতুন ৩৭ জনসহ ১২০ জন, বরগুনায় নতুন ৬৫ জনসহ ১৪৫ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ২৮ জনসহ ৯১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ছয়জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

বাসুদেব কুমার জানান,কোয়ারেন্টিনে থাকা ৭৬৪ জনের অধিকাংশই প্রবাসী। এছাড়া বরগুনা জেলায় একজন রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। অপরদিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যে একজন রোগী আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ছিলেন তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে বরিশাল বিভাগে এখন পর্যন্ত কারো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।এদিকে বিভাগে কোয়ারেন্টিন শেষ করেছেন ৩৮ জন। যার মধ্যে বরিশালে ১৩ জন, পটুয়াখালীতে আটজন, পিরোজপুরে তিনজন, বরগুনায় ১১ জন ও ঝালকাঠিতে তিনজন রয়েছে।স্বাস্থ্য পরিচালক বলেন, কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনদের পর্যবেক্ষণ করছেন স্বাস্থ্য বিভাগের স্বাস্থ্যকর্মী। পাশাপাশি এদের সবাইকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার কাজে জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহায়তা করছে। আমরা ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায়ে আমাদের সার্সিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আর সেবক-সেবিকা, চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তায় পারসোনাল প্রটেকশন সরঞ্জাম এরইমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্টদের শঙ্কার কোনো কারণ নেই।

তিনি জানান, স্বর্দি-কাশি ও জ্বরের রোগীকে দেখার জন্য আলাদা ব্যবস্থা হাসপাতালগুলোতে করা হয়েছে। টিকিট কাউন্টারে গেলেই এ বিষয়ে তথ্য জানা যাবে।বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তি ছাড়া আমাদের দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর কোনো লক্ষণ নেই। তাই ফিজিক্যালি বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিদেশফেরত নাগরিকদের তথ্য নেওয়া হচ্ছে। রুট লেভেলে চেয়ারম্যান-মেম্বাররা এ কাজে সহযোগিতা করছেন। যে কথা শুনবে না তাদের বিরুদ্ধে আমরা ম্যাজিস্ট্রেটদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন প্রয়োগ করবে। ঝুঁকি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।তিনি বলেন, এখন আর মোটিভেশন করার সুযোগ দেওয়া যাবে না। যে মানবে না তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। আর রুট লেভেল থেকে পুলিশ কোনো তথ্য পেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে অবহিত করবে। সে বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি।

Top