সেই বাশার বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড তারেকের বিরুদ্ধে অভিযোগে পাহাড়! - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে দুদকে অভিয... বরিশালে ডাঃ তহুরার হাতে বলি হলো উদীয়মান উদ্যোক্তা নাজিয়া মাইশা পে ফিক্সেশনের পর তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ চাপের আহ্বান বাংলাদেশের ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত জীবনযাত্রায় চাপ,দেশজুড়ে বাজার-গণপরিবহণে অস্থিরতা নতুন রাস্তা কেটে নালা দ্বিগুণ ব্যয়ে ডাস্টবিন

সেই বাশার বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড তারেকের বিরুদ্ধে অভিযোগে পাহাড়!


নিজস্ব প্রতিবেদক :দীর্ঘদিন লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৬ সনে গণতান্ত্রিকভাবে ও নির্বাচনে জয়যুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কঠোরতার কারণে ১৯৯৯ সন পর্যন্ত দেশ খুব সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হয়।২০০০-২০০১ সালে দলের চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসীদের মাধ্যম পানামা ফারুক বাহিনী,সাগরদীতে বাশার বাহিনী,হাতেম আলী কলেজ এলাকায় কুতুব রানা বাহিনী এবং কাউনিয়া মোনায়েম বাহিনী সৃৃষ্টি হয়। তারা টর্চার সেল প্রস্তুত করে।সাধারন মানুষকে নির্যাতন করে,আতঙ্ক সৃষ্টি করে। যার ফলে ২০০১ সনে এদেশের জনগণ আওয়ামীলীগকে ভোট দেয়নি এবং আওয়ামী লীগ আর ক্ষমতায় আসে নাই। পরে আবার ২০০৯ সন থেকে ক্ষমতায় আসার পর বর্তমানে সরকার চালাচ্ছেন। এসব সন্ত্রাসীদের মধ্যে ইতোমধ্যে পানামা ফরুক, মোনায়েমও নিহত হয়েছে। কিন্তু সাগরদী এলাকার বাসার বাহিনী ২০০১ সালে দেশ ত্যাগ করে ঢাকায় অবস্থান করছেন। মাঝে মধ্যে বরিশালে যাতায়াত করে। তার বাহিনীর দ্বিতীয় সিপাহী সালার সাফিন মাহামুদ তারেক বহুদিন পলাতক অবস্থায় ঢাকা এবং চট্রগামে আত্মগোপন করে ২০১৪ সালে বরিশালে আসে। অত:পর কৌশলে বরিশাল বর্তমান মেয়রের আস্থাভাজন হয়ে যান। যার ফলশ্র“তিতে বরিশাল মহানগরের ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। মেয়র তাকে ২৪ নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশের সম্পাদকও বানান।

যিনি ছিলেন র‌্যাব পুলিশের খাতায় টপ টেরর। তিনি এই দুটি পদ পাওয়ার পর থেকে এলাকায় ভূমি দখল মাদকের ব্যবসাসহ চাঁদাবাজির মাত্রা বেড়ে গেছে। তিনি মাদকের গডফাদারও। কয়েকদিন পূর্বে তার সহযোগি রূপাতলী এলাকার নজরুল, মনির, ইয়াবাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়। তাদের যোগানদাতা এবং গডফাদার ২৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাফিন মাহামুদ তারেকের কথা প্রশাসনের কাছে স্বীকার করেছে। কিন্তু মেয়র এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেন নাই। চলতি বছরের ২৯ ফেব্র“য়ারী তারেক রূপাতলীর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা মনির খলিফার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা গ্রহন করে অবৈধভাবে জমি দখল করতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারেকের লোকজনের সাথে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকার লোকজনের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে আসে। তাছাড়া এলাকার কোন সুন্দরী যুবতী রাস্তায় নামতে পারেনা। ঘরে এক স্ত্রী স্বত্তেও তার লালসার শিকার হয়েছেন জিয়ানগরের সালমা,লালার দীঘির পাড়ের দুলালের মেয়ে বিউটি সহ অসংখ্য নারী। লালার দীঘির পাড়ের দুলালের মেয়ে বিউটিকে বিবাহ করে কাশিপুরের ফিসারী রোডে বসবাস করতেছে। মানুষ একটি পেশা করে জীবিকা নির্বাহ করে কিন্তু তার কোন পেশা নেই। সে সেই ১৯৯৯ সনের গুন্ডা বহর নিয়ে এলাকায় ঘুরে এবং যারা জমি কিনে নতুন বাড়ি ঘর করতে চায় তাদের কাছ থেকে চাঁদা গ্রহন করে এবং বর্তমানে তার ৪ তলা ভবন নির্মণাধীন। চলতি বছরের ২৯ ফেব্র“য়ারি মাদক ব্যবসায়ের কারণে নগরীর ২৮ নং ওয়ার্ডের সাধারন সম্পাদক প্রিন্সকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। যা মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। ইতিপূর্বে কেন্দ্রীয়ভাবে সম্রাট পাপিয়া সহ অসংখ্য আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী মাদকের সাথে জড়িত থাকার কারণে বহিস্কার হয়ে কারাবরন করতেছে। কিন্তু বরিশালের এই পাতি নেতা তারেকের খুটির জোর নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। মাঝে মধ্যে তিনি বলেন- আমার বিরুদ্ধে মেয়রের কাছে নালিশ করলে সাড়ে তিন হাত জায়গায়ও খুঁজে পবে না।

মেরে লাশ গুম করে দিব। যারা এলাকায় বাড়ি ঘর করে তাদেরকে কমিউনিটি পুলিশের কার্যালয়ে ডেকে বলে যে-২৪ নং ওয়ার্ডে একখানা ইট গাথতে হলে আমার পারমিশন লাগবে অন্যথায় বাড়ি ঘর হবে না। এদিকে ঈদ মৌসুমে এই শাফিন মাহমুদ তারেক বাহিনী গরু ব্যবসায়ীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তিনি বলে বেড়াচ্ছেন পুলিশ তার পকেটে থাকে এজন্য কেউ তার কিছু করতে পারবে না। বলাবাহুল্য : ২০০০-২০০১ সালে দপদপিয়া জুরকাঠি, চরআইচা এর লোকজন রিকশা চালিয়ে রোজগার করে রাতে চাল, ডাল কিনে বাড়ি ফিরতে পারত না অস্ত্রের মুখে সেগুলো এই তারেক বাহিনী ছিনিয়ে নিতো। সর্বেপরি এখনই এই তারেকের লাগাম টেনে ধরতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। বিশেষ করে এ বিষয়ে বরিশাল সিটির জনপ্রিয় মেয়রের আশু দৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার শান্তিপ্রিয় নারী পুরুষ। যিনি ভুক্তভোগী সাধারন মানুষের কথা শুনেন এবং পাশে থাকেন। জননন্দিত মেয়রের কাছে এলাকার সচেতন মহল প্রাণের দাবী যে- তারেক বাহিনীর জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়।

Top