বরিশাল-ভোলা সড়কে পরিবহন থেকে ছাত্রলীগের সম্পাদক সুজনের চাঁদাবাজি প্রশাসন নিরব ভুমিকায় ।
মো:সালেহ আহমেদ:বরিশাল ভোলা সড়কে গনহারে পরিবহন আটকিয়ে একের পর এক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজন এর বিরুদ্ধে।পুলিশের নিরবতার কারনে বেপরোয়া ভাবে এঘটনা ঘটিয়ে চলছে বলে একাদিক সুত্রজানিয়েছে।পুলিশ প্রশাসন সরকার দলীয় লোক পরিচয়দানকারী ছাত্রলীগেরএ সম্পাদকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নিতে পারছেননা বলে সচেতন মহলের দাবী।তার এই কর্মকান্ডরব্যাপারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে বরিশাল পূর্বাঞ্চলবাসী।খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, উক্ত সড়কেরদিনারপোল নামক স্থানে বসে বিভিন্নজনকে নাজেহালসহ টাকা পয়সা ছিনতাইসহ নানাবিধঅপকর্মে জরিয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে । এরইধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১২:০০টার দিকে ভোলা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী আব্দুল্লাহ পরিবহন গাড়ী থেকেবরিশাল সদর উপজেলার দিনার পয়েন্টে বসে সুপার ভাইজার ইব্রাহীমের কাছ থেকে ২৬ হাজার টাকামোঃ মালেকের কাছ থেকে ১৪ হাজার টাকা ও নিজাম নামের আরেক ব্যক্তি থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায় বলে জানা যায়।
ভ‚ক্তভোগী ইব্রাহীম ও নিজাম সাংবাদিকদের বলেন,আমাদের কিছু দিন আগে আব্দুল্লাহ পরিবহন ও বিআরটিসি বাস দিনার পয়েন্টে বসে আশিকুর রহমান সুজন ও তাহার সাঙ্গপাঙ্গ মিলে অন্যায় ভাবে আমাদের গাড়ীতে থাকা অপু নামে এক মাছ ব্যবসায়ীর ৬ ডোপ ঝাটকা ইলিশ মাছ নিয়ে দ্ধুসঢ়;ই ডোপ সুজন রেখে ৪ ডোপ মাছ সহ অপুকে বন্দর থানা পুলিশেরকাছে ধরিয়ে দেয়। এর পর থেকে আমাদের সুজন ভয় ভীতি দেখিয়ে প্রতি গাড়ি থেকে চাঁদা দাবী করে। বৃহস্পতিবার রাতে ইব্রাহীম ও খালেক ৪০ হাজার টাকা দিতে পারলেও নিজাম নামের আরেকব্যবসায়ী সুজনের মনোনীত চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তার সাঙ্গপাঙ্গরা ৩ হাজার ৫শত টাকাছিনিয়ে নিয়ে দুই ডোপ ঝাটকা ইলিশ সহ বন্দর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
ভুক্তভোগীরাআরো বলেন আমরা যদি পেটের দায় অন্যায় করি আমাদের বিচার হয় কিন্তু আমাদের কাছ থেকে যারা চাঁদা নেয় ও চাঁদা না দিতে পারলে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয় তাদের কেন বিচার হয় না? এবংতাদের বিচার করবে কে? আমরা শত শত মন মাছ এক সাথে ক্রয় বিক্রয় করি।কিছু মাছ ৯ইঞ্চির নীচেথাকে সে মাছগুলো কি আমরা ফেলে দিব? ছাত্রলীগ নেতা সুজন গাড়ী প্রতিরোধ করে মাছ ধরবারকে? তাহলে প্রশাসন দেশে থাকবার দরকার কী? এভাবেই বললেন ভ‚ক্তভোগীরা। অপরদিকে মেহেন্দিগঞ্জউপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের মাটি ব্যবসায়ী খালেকের কাছ থেকে মনোনীত চাঁদা না পেয়েআশিকুর রহমান সুজন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা লোড বলগেট থেকে ৩টি ব্যাটারী ও ৩টি সোলার প্যানেলখুলে নিয়ে আসে। মাটি ব্যবসায়ী খালেক বরিশাল মহানগর সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর
হোসেনের স্বরনাপন্ন হলেও কোন প্রতিকার পায়নি ভ‚ক্তভোগীরা। এব্যপারে মহানগর সভাপতি
এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেনকে এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত একাধিকবার মুঠো ফোনে ফোন
করলেও তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি। এব্যপারে আব্দুল্লাহ পরিবহনের মালিক শাওন খানকে জিজ্ঞাস করলেতিনি বলেন, আমার গাড়িতে কোন অবৈধ মালামাল নিলে বা পাচার করলে তার জন্য প্রশাসন রয়েছে ।
তিনি বলেন, এজন্য সেতো জনগন পারমিশন না নিয়ে যাত্রী হয়রানী করার অধিকার তার নেই ।এবং
আরো বলেন এব্যপারে বরিশালের মেয়র মহোদয়ের কাছে আমি নালিশ দিব।ভূক্তভোগী গরীব মানুষের
প্রতি অন্যায় অবিচার না করাই ভালো। এব্যাপারে সুজনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এধরনের
কোন ঘটনা ঘটে নাই তবে মাছ আটক করেছি টাকা নি নাই।আপানি মাছ আটক করতে পারেন
কি না জানতে চাইলে তিনি কোন সৎউত্তর না দিয়ে বিষয়টি এরিয়ে যান।বন্দর থানা ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি তার ব্যাপারে উপরস্ত
কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।