শহীদ মীর কাসেম আলীর জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত থাকবে - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় আওয়ামী লীগের পেতাত্মা বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে দুই সাংবাদিকের ওপর হাম... এক পুলিশ কর্মকর্তা! পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা পাল্টে দিচ্ছে হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে দুদকে অভিয... বরিশালে ডাঃ তহুরার হাতে বলি হলো উদীয়মান উদ্যোক্তা নাজিয়া মাইশা পে ফিক্সেশনের পর তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ চাপের আহ্বান বাংলাদেশের ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত

শহীদ মীর কাসেম আলীর জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত থাকবে


নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও মিডিয়াব্যক্তিত্ব শহীদ মীর কাসেম আলীর অবদানের কথা স্মরণ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা: শফিকুর রহমান।দশম শাহাদতবার্ষিকীকে সামনে রেখে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন, মীর কাসেম আলী আজীবন বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ইসলামী জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। ইসলামী ব্যাংক-বীমা, বহু মসজিদ-মাদরাসা এবং নানাবিধ ইসলামী ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। বিশেষত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে তার উদ্যোগ ছিল যুগান্তকারী, যার সুফল আজও মানুষ পাচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ এজন্য কৃতজ্ঞচিত্তে তার অবদান স্মরণ রাখবে।

ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামী আন্দোলনের সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে এবং মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। ফ্যাসিবাদী সরকার তার বিরুদ্ধে আনা কোনো অভিযোগই ক্যাঙ্গারু আদালতে প্রমাণ করতে পারেনি। যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তার সাথে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। কিন্তু তারপরও সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তাকে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা অনুযায়ী ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

তিনি বলেন, তিনি দাঈ ইলাল্লাহ হিসেবে বাংলাদেশের জমিনে যে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সূচনা করেছিলেন, তা ইনশাআল্লাহ সুদীর্ঘকাল অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের এই নিবেদিত দায়িত্বশীল তার কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আমরা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন মীর কাসেম আলীর শাহাদত কবুল করেন এবং তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।জামায়াত আমির বলেন, মীর কাসেম আলীর রেখে যাওয়া কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

Top