জাহাজ নির্মাণ শিল্প পাবে সর্বোচ্চ ১০ বছর,ঋণ পুনঃতফসিলে বড় ছাড় - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে দুদকে অভিয... বরিশালে ডাঃ তহুরার হাতে বলি হলো উদীয়মান উদ্যোক্তা নাজিয়া মাইশা পে ফিক্সেশনের পর তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ চাপের আহ্বান বাংলাদেশের ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত জীবনযাত্রায় চাপ,দেশজুড়ে বাজার-গণপরিবহণে অস্থিরতা নতুন রাস্তা কেটে নালা দ্বিগুণ ব্যয়ে ডাস্টবিন

জাহাজ নির্মাণ শিল্প পাবে সর্বোচ্চ ১০ বছর,ঋণ পুনঃতফসিলে বড় ছাড়


মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন:বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ইউরোপে সামরিক অস্থিরতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে জাহাজ নির্মাণ শিল্পের নগদ প্রবাহে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে শিল্পটিকে সহায়তা করতেই বিশেষ এই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত পুনঃতফসিলের জন্য আবেদন করা যাবে। রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে ঋণ পুনঃতফসিলে বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এই খাতের ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১০ বছরে ঋণ পরিশোধের সুযোগ পাবে।মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।সার্কুলারে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব ঋণ শ্রেণিকৃত হয়েছে, সেগুলো পুনঃতফসিল করতে মোট ঋণের ৩ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিতে হবে। এর মধ্যে ১.৫ শতাংশ আবেদনকালে এবং বাকি ১.৫ শতাংশ পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

এছাড়া ২০২৩ সালের সার্কুলারের আওতায় আগে যেসব ঋণ পুনঃতফসিল হয়েছিল, সেগুলো নতুন করে পুনর্গঠন করতে চাইলে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিলেই চলবে। সেক্ষেত্রে বিদ্যমান মেয়াদের সঙ্গে সর্বোচ্চ আরও দুই বছর যোগ করা যাবে।গ্রেস পিরিয়ড চলাকালে গ্রাহককে মূল ঋণের ওপর ধার্য সুদ মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পরিশোধ করতে হবে। আগের বকেয়া সুদ আলাদা একটি ব্লকড হিসাবে রাখা হবে, যা গ্রেস পিরিয়ড শেষে সুদবিহীন কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ থাকবে।পুরো ঋণের কিস্তিও মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পরিশোধযোগ্য হবে। নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণ আবার বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী খেলাপি হিসেবে শ্রেণিকরণ করা হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠিত ঋণ থাকা সত্ত্বেও ব্যবসা ও রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন ঋণ নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে কোনো কম্প্রোমাইজ অ্যামাউন্ট দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে না।তবে জালিয়াতি, প্রতারণার মাধ্যমে সৃষ্ট ঋণ এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের ক্ষেত্রে এই বিশেষ সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।আগামী ৩০ জুনের মধ্যে গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন পাওয়ার পর ব্যাংকগুলোকে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সঙ্গে বিশেষ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদন ও বৈশ্বিক বাজারে রপ্তানির সম্ভাবনার কারণে জাহাজ নির্মাণ শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। শিল্পটিকে সচল রাখা এবং একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর ঋণ আদায় নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

Top