বাংলাদেশে জনগণের ভোটে যে রাজনৈতিক দলই সরকারে আসুক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি প্রতিমন্ত্রীর ‘পাল্টা প্রশ্ন’ তথ্য জানার অধিকারের প্রতি হুমকি মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শিল্পে গ্যাস সংকট কাটছেই না,তেল কিনতে ৬৫০০ কোটি টাকা চায় পিডিবি নির্বাচনের পরিকল্পনা নভেম্বর ধরে আগানো হচ্ছে জ্যেষ্ঠতার তালিকায় ২৫৭ ‘অনিয়মিত’ প্রকৌশলী ! এলজিইডিতে বিধিবিধান অমান্যের প্রতিযোগিতা ডিলারদের ঘরে কর্মকর্তাদের কীসের এত খাওয়াদাওয়া,সার সংকটে হয়রান কৃষক অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ সরকারের বর্তমান কাঠামো আড়াইতলা বা আড়াই স্তরবিশিষ্ট

বাংলাদেশে জনগণের ভোটে যে রাজনৈতিক দলই সরকারে আসুক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা :গতকাল সোমবার নয়াদিল্লিতে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিক্যাবের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, বাংলাদেশে জনগণের ভোটে যে রাজনৈতিক দলই সরকারে আসুক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত।আলোচনায় বিক্রম মিশ্রি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলকভাবে অনুষ্ঠিত হোক– এটাই ভারতের প্রত্যাশা। এ সময় তিনি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, সম্পর্ক ঠিক রাখতে উভয় পক্ষেরই প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য এড়িয়ে চলা উচিত।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার যে বার্তা দিয়েছে, আমরা তাতে উৎসাহিত এবং প্রতীক্ষায় আছি– নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।আওয়ামী লীগকে ভোটে বাদ দিয়ে নির্বাচিত সরকার এলে তাদের সঙ্গে ভারত কাজ করবে কিনা– সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি এতটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে যে সরকারই আসুক, আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করব।সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এর প্রভাব নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বিক্রম মিশ্রি বলেন, ‘এটা বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়া। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা ও মতবিনিময় প্রয়োজন। আমরা এসব বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। এই মুহূর্তে এ বিষয়ে আর কিছু বলা গঠনমূলক হবে বলে মনে করছি না।বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও ভারত ঢাকার সঙ্গে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে উল্লেখ করেন বিক্রম মিশ্রি।

Top