বাংলাদেশে জনগণের ভোটে যে রাজনৈতিক দলই সরকারে আসুক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা

বাংলাদেশে জনগণের ভোটে যে রাজনৈতিক দলই সরকারে আসুক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা :গতকাল সোমবার নয়াদিল্লিতে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিক্যাবের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন, বাংলাদেশে জনগণের ভোটে যে রাজনৈতিক দলই সরকারে আসুক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ভারত।আলোচনায় বিক্রম মিশ্রি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলকভাবে অনুষ্ঠিত হোক– এটাই ভারতের প্রত্যাশা। এ সময় তিনি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, সম্পর্ক ঠিক রাখতে উভয় পক্ষেরই প্রতিহিংসামূলক বক্তব্য এড়িয়ে চলা উচিত।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার যে বার্তা দিয়েছে, আমরা তাতে উৎসাহিত এবং প্রতীক্ষায় আছি– নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।আওয়ামী লীগকে ভোটে বাদ দিয়ে নির্বাচিত সরকার এলে তাদের সঙ্গে ভারত কাজ করবে কিনা– সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি এতটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে যে সরকারই আসুক, আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করব।সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এর প্রভাব নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বিক্রম মিশ্রি বলেন, ‘এটা বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়া। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা ও মতবিনিময় প্রয়োজন। আমরা এসব বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। এই মুহূর্তে এ বিষয়ে আর কিছু বলা গঠনমূলক হবে বলে মনে করছি না।বাংলাদেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরও ভারত ঢাকার সঙ্গে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে উল্লেখ করেন বিক্রম মিশ্রি।

Top