বেড বাড়ানো নয়,রোগী কমানোর সময় এসেছে - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে দুদকে অভিয... বরিশালে ডাঃ তহুরার হাতে বলি হলো উদীয়মান উদ্যোক্তা নাজিয়া মাইশা পে ফিক্সেশনের পর তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ চাপের আহ্বান বাংলাদেশের ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত জীবনযাত্রায় চাপ,দেশজুড়ে বাজার-গণপরিবহণে অস্থিরতা নতুন রাস্তা কেটে নালা দ্বিগুণ ব্যয়ে ডাস্টবিন এক ঢিলে দুই পাখি শিকারের চেষ্টা ,সারা দেশ,রাজধানীসহ কড়া নজরদারি পুলিশের ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব নিত্যপণ্যের বাজারে শুল্ক না কমিয়ে দাম বৃদ্ধির পথেই হাঁটল সরকার

বেড বাড়ানো নয়,রোগী কমানোর সময় এসেছে


আলোকিত বার্তা:হাসপাতালের বেড বাড়ানো নয়, এখন সময় এসেছে করোনারোগীর সংখ্যা কমানোর বলে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জাহিদ মালেক।শনিবার (৭ আগষ্ট ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে কোভিড-১৯ ফিল্ড হাসপাতালের উদ্বোধন উপলক্ষে তিনি এ কথা বলেন।জাহিদ মালেক বলেন, এখন সময় এসেছে করোনারোগীর সংখ্যা কমানোর, হাসপাতালের বেড বাড়ানোর নয়। করোনা ইনফেকশন কমাতে হবে। ইনফেকশন হাসপাতালে, ক্লিনিকে তৈরি হয় না। ইনফেকশন রাস্তাঘাটে দোকানপাটে ফেরিতে, ফ্যাক্টরিতে, গ্রামগঞ্জে হয়। মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না, মাস্ক এবং সামাজিক দূরত্ব মানছে না, ফলে ইনফেকশনের হার বাড়ছে।তিনি বলেন, ইনফেকশনের হার কমাবে, ডাক্তার-নার্সতো আর ফেরি কন্ট্রোল করতে পারবে না। ফ্যাক্টরি কন্ট্রোল করতে পারবে না। তাহলে তারা কন্ট্রোল করবে। জনগণ পারবে, আমাদের জনগণের সাপোর্ট দরকার ইনফেকশনের হার কমাতে। আমাদের যারা বিভিন্ন বাহিনী আছে তারা পারবে। আমাদের নেতাকর্মীদের আমরা অনুরোধ করব তারা ইনফেকশন কমাতে যেন প্রচার-প্রচারণা করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে ১৮ হাজার কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এটা চলমান প্রক্রিয়া। টিকা পাওয়া সাপেক্ষে অনেক কিছু নির্ভর করে। সারা বছরব্যাপী আমাদের টিকা কার্যক্রম চলবে। গ্রামগঞ্জে টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স্ক নারীদের বেশি গুরুত্ব দেব। কারণ আমাদের ফ্রন্টলাইনের লোকজন, ছাত্ররা প্রায় টিকা পেয়েছেন। তাই আমরা বর্তমানে গ্রামগঞ্জে টিকা দেওয়ার কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।তিনি আরও বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের দেড় কোটি ডোজ টিকার চুক্তি হয়েছে। এরইমধ্যে তারা টিকা পাঠানোও শুরু করেছে। আমরা চীন থেকে আরও ছয় কোটি টিকার চুক্তি করব। এর মধ্যে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দুই কোটি করে মোট চার কোটি টিকা আসবে। আগস্ট মাসেও টিকা আসবে, তবে কিছুটা কম।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম।ফিল্ড হাসপাতালটি প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৫৭ শয্যা চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এপ্রিল হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।

Top