ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে লেনদেনের চাপ বেড়েছে - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে দুদকে অভিয... বরিশালে ডাঃ তহুরার হাতে বলি হলো উদীয়মান উদ্যোক্তা নাজিয়া মাইশা পে ফিক্সেশনের পর তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ চাপের আহ্বান বাংলাদেশের ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত জীবনযাত্রায় চাপ,দেশজুড়ে বাজার-গণপরিবহণে অস্থিরতা নতুন রাস্তা কেটে নালা দ্বিগুণ ব্যয়ে ডাস্টবিন

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে লেনদেনের চাপ বেড়েছে


আলোকিত বার্তা:আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে লেনদেনের চাপ বেড়েছে।এর মধ্যে সরকারি-বেসরকারি খাতের দেনা-পাওনা পরিশোধ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রদান, সরকারের দেওয়া বিভিন্ন ভাতার অর্থ প্রদান, রেমিটেন্সের অর্থ ছাড়, প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন,ঋণ প্রদান ও কিস্তি আদায় এবং বৈদেশিক লেনদেনের মাত্রা বেড়ে গেছে।এই চাপ সামাল দিতে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় সব শাখাই এখন খোলা রাখা হচ্ছে।ঈদের ছুটির আগ পর্যন্ত গ্রাহকদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে এসব শাখা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে সীমিত আকারে কিছু শাখা খোলা রাখার নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু বিধিনিষেধের মধ্যেও সব ধরনের শিল্প কারখানা ও সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো খোলা রয়েছে। একই সঙ্গে পণ্য পরিবহণ, বিপণন, মজুদ এসব কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। নিত্যপণ্যের সব কিছু খোলা। স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় সরকার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, জরুরি সেবা, ইন্টারনেটসহ সরকারি খাতের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি খাতের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলমান। গ্রাহকদের লেনদেনের চাহিদাও বেড়েছে। সূত্র জানায়, বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর এখন সব শাখাই খোলা। পাশাপাশি খোলা আছে সরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রায় সব শাখা। তবে কিছু পল্লি শাখা সপ্তাহে তিন দিন খোলা থাকছে। বাকি দুই দিন বন্ধ থাকছে। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি খাতের বিশেষায়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সব শাখাই এখন খোলা। ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সব শাখাই সোমবার থেকে খুলে দেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে আগে সীমিত সংখ্যক জনবল দিয়ে সেবা দেওয়া হতো। এখন চাপ বাড়ায় জনবলের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। প্রায় সব ধরনের সেবা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোয় সব জনবল দিয়েই কাজ হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়েরও প্রায় সব বিভাগ খোলা রয়েছে। তবে লেনদেনের সীমা ও অফিস সময় আগের মতো নেই। এখন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ব্যাংকগুলোতে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত। তবে গ্রাহক ১টার আগে ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করলে ১টার পরও লেনদেন করতে পারেন।

সূত্র জানায়, বেসরকারি খাতের ইসলামী, ডাচ্ বাংলা, ব্র্যাক, উত্তরা, পূবালী, ন্যাশনাল, প্রাইমসহ সব ব্যাংকের সব শাখা খোলা রয়েছে। আর সরকারি খাতের বেসিক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট, প্রবাসী কল্যাণ, কর্মসংস্থান ব্যাংকের সব শাখা খোলা। তবে সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের প্রায় সব শাখাই খোলা। তবে কিছু পল্লি শাখা সপ্তাহে তিন দিন খোলা থাকছে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষ্যে সরকারের দেওয়া বিভিন্ন ভাতা প্রদানের জন্য অনেক পল্লি শাখাও এখন খুলে দেওয়া হয়েছে।এছাড়া বন্দর এলাকায় সব শাখা সপ্তাহে ৭ দিন খোলা থাকছে। এর মধ্যে কিছু শাখা ২৪ ঘণ্টাই খোলা রাখা হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, বিধিনিষেধ শিথিল করে দেওয়ার ফলে ব্যাংকিং লেনদেন বেড়েছে। একই সঙ্গে ঈদকে সামনে রেখেও গ্রাহকদের নগদ টাকার চাহিদা বেড়েছে। এসব কারণে গ্রাহকরা টাকা তুলছেন। এছাড়া বিভিন্ন দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি হওয়ার পরিমাণও বেড়ে গেছে। সাধারণ সময়ে প্রতি মাসে যে লেনদেন হয়, ঈদকে সামনে রেখে তার পরিমাণ তিনগুণ বেড়ে যায়। ফলে ব্যাংকের ওপর চাপ বাড়ছে।এদিকে ব্যাংকগুলোকে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সব শাখা অফিস ও বিভাগ সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত খোলা রয়েছে।ঈদ উপলক্ষ্যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণ বেড়েছে। এগুলো গ্রাহকদের মধ্যে পৌঁছে দিতে ব্যাংকগুলোতে কাজের চাপ বেড়েছে।ব্যাংকের বাইরে এজেন্ট ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবের মাধ্যমে রেমিটেন্সের অর্থ গ্রাহকদের হিসাবে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এ কারণে এসব ব্যাংকিং কার্যক্রমও চালু রয়েছে।

Top