বরিশাল বিভাগে ২ হাজার ৪শ’ ৭২ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসির ডিজিএম আশরাফুল আলমের খুঁটির জোর কোথায় : প্রধানমন্ত্রী ও দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে কর্মক... ‘রুপালি ধোঁকা’ইলিশের নামে ব্যাংকগুলো গ্রাহককে আমানতের বিপরীতে গড়ে যে হারে মুনাফা দিচ্ছে,এর চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার অনেক বেশি রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ,অন্য হোতারা ধরা না পড়ায় প্রশ্ন ব্যাংকক বৈঠকে চাওয়া হবে ৫০০ কোটি ডলারের ঋণ বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিরুদ্ধে কথা বলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার আতঙ্কে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা,বিএনপিতেও শুরু হয়েছে শুদ্ধি অভিযান অর্থনীতি নাজুক, পরিশোধে অক্ষমতায় হতে পারে বিপদ,কমছে আয়, ঋণেই ভরসা লন্ডনে এমপি সরোয়ার আলমগীরের সাথে মতবিনিময়: প্রবাসীদের সম্মান-নিরাপত্তা ও কালুরঘাট সেতু’র কাজ দ্রুত ... মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা

বরিশাল বিভাগে ২ হাজার ৪শ’ ৭২ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।


রফিকুল ইসলাম:করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ (কোভিড-১৯) এড়াতে বরিশাল বিভাগে ২ হাজার ৪শ’ ৭২ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২৩৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছে। এর আগে ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে আনা হয়েছিলো ২৩৮ জনকে।বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিভাগের ছয় জেলার হিসাব অনুযায়ী, বরিশালে নতুন ১২০ জনসহ ৫৯৮ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ১৮ জনসহ ৬২৫ জন, ভোলায় নতুন ৩৭ জনসহ ৩৫৮ জন, পিরোজপুরে নতুন ৩৩ জনসহ ৩৭৫ জন, বরগুনায় নতুন ২১ জনসহ ৩২১ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ১০ জনসহ ১৮১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৪ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।এদিকে বিভাগে ১০ মার্চ থে‌কে এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টিন শেষ করেছেন ৬৯৭ জন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় শেষ ক‌রেছেন ১৬৩ জন। কোয়ারেন্টিন থেকে মোট ছাড়পত্র পাওয়াদের মধ্যে বরিশাল নগরে পাঁচজন, বরিশাল জেলায় ১৩০ জন, পটুয়াখালীতে ২৫৮ জন, ভোলায় ৬৫, পিরোজপুরে ৮৯ জন, বরগুনায় ৯৭ জন ও ঝালকাঠিতে ৫৩ জন রয়েছে।বাসুদেব কুমার জানান, কোয়ারেন্টিনে থাকা অধিকাংশই প্রবাসী। এছাড়া বরগুনা ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন থাকা চারজন রোগীকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে এবং শেবাচিমে নতুন করে করোনা সন্দেহে ভর্তি হয়েছেন আরও দু’জন। তবে বরিশাল বিভাগে এখন পর্যন্ত কারো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

Top