দীর্ঘ সৈকতের বেলাভূমে দুই চারজন স্থানীয় মানুষ ছাড়া কোন পর্যটকের পদচারণা নেই।
আলোকিত বার্তা:দীর্ঘ সৈকতের বেলাভূমে দুই চারজন স্থানীয় মানুষ ছাড়া কোন পর্যটকের পদচারণা নেই।সুনসান নীরবতা। সাগরের মৃদু ঢেউ শো শো শব্দে কিনারে আছড়ে পড়ছে। অনবরত নিঃসঙ্গ ঢেউয়ের সেই শব্দ এখন কানে স্পষ্ট ভেসে আসছে।কারণ বীচে নেই কোন কোলাহল।নেই ভাড়াটে মোটরসাইকেল চালকদের যাতনা।নেই বাণিজ্যিক ফটোগ্রাফারদের উপদ্রব।অটো বাইক কিংবা ব্যাটারিচালিত রিক্সার ভিড়ও নেই। যতদূর চোখ যায় ততদূর শুধু প্রকৃতির এই লীলাভূমির দেখা মিলছে। দুই চারটি কুকুর,ছাগল বিচরণ করছে বীচের শূন্যপয়েন্টে।৯০ ভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে আবাসিক হোটেল-মোটেলগুলো।
একই স্পটে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মতো বিরল প্রাকৃতিক দৃশ্য অবলোকনের সৈকত কুয়াকাটার দৃশ্য এটি। সন্ধ্যার পরে মানুষ শূন্য কুয়াকাটায় রাস্তাঘাটে নামলে গা ছম ছম করে। মরণব্যাধি, ঘাতক করোনা প্রতিরোধে সরকারের সর্বোচ্চ সতর্কতার কারণে বৃহস্পতিবার রাত থেকে কুয়াকাটায় এমন দৃশ্য বিরাজ করছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নামায় পর্যটন নির্ভর হাজার হাজার ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ হতাশা ব্যক্ত করেছেন।তারপরও করোনা থেকে যদি মুক্তি পাওয়া যায় তবে সবাই এ কষ্ট মেনে নিতে এক পায়ে রাজি রয়েছেন। তবে সকলের দাবি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সরবরাহ এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।